অভিযোগ, অনুযোগ, অসুবিধা আর জরুরি সেবা এবার হাতের মুঠোয় নিয়ে হাজির হলো ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন। নাগরিক সেবা নিশ্চিত করতে চালু হচ্ছে ‘নগর’ নামে মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন। ‘ডিজিটাল ঢাকা’র এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী।
বাসার পাশের ডাস্টবিনটা উপচে ভরা, গন্ধ বেরুচ্ছে কিন্তু পরিচ্ছন্নকর্মীদের দেখা নেই অথবা এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়েছে কিংবা হাটার পথ দখল করে কেউ গড়ে তুলেছে অবৈধ দোকান-পাট। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের বাসিন্দাদের এমন সমস্যা এখন এক ক্লিকেই পৌঁছে যাবে নগরপিতার কাছে।
মঙ্গলবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে অ্যাপটির উদ্বোধন করেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেন। এ সময় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণের মেয়র আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন উপস্থিত ছিলেন।
‘নগর’ নামের মুঠোফোনভিত্তিক নাগরিক সুবিধার এমন আয়োজনের প্রশংসা করেন অতিথিরাও।
খোন্দকার মোশারফ হোসেন বলেন, এ ধরনের উদ্ভাবন জীবনকে সহজ করে নতুন নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিয়েছে।
জুনায়েদ আহমেদ পলক বলেন, একসময় ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন নিয়ে অনেকে হাসাহাসি করলেও বাংলাদেশ যে এ পথে অনেক এগিয়েছে, ডিএনসিসির এই অ্যাপ চালু তারই প্রতিফলন।
ঢাকাকে বদলে দেওয়ার ঘোষণার দিয়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন মেয়র আনিসুল হক ঢাকা নিয়ে তার মাস্টার প্ল্যানের কথা জানান।
তিনি বলেন, আমরা স্মার্ট, ডিজিটাল শহর তৈরির যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম তা বাস্তবায়নে কাজ করছি। ঢাকা আর এরকম থাকবে না। স্মার্ট, নিরাপদ ও ডিজিটাল ঢাকা তৈরিতে প্রতিটি ক্ষেত্রে আমরা হাত দিয়েছি। ঢাকা বদলাচ্ছে, আগামী চার থেকে পাঁচ বছর পর এই ঢাকা আর থাকবে না। আমরা ঢাকাকে বদলে দিব।’
ঢাকাকে ডিজিটাল করে গড়ে তোলার পাশাপাশি নিরাপত্তা প্রদানের প্রতিশ্রুতিও দেন নগর পিতা।








