নওগাঁয় ধান-পাটের পরিবর্তে ফসলি জমিতে বিভিন্ন ফল বাগান ও পুকুর খনন করে মাছ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন অনেকেই। একই জমিতে সমন্বিত উপায়ে ফল ও মাছ চাষে আগ্রহী হয়েছেন অনেকেই।
মান্দা উপজেলার খুদিয়াডাঙ্গা গ্রামের কৃষক ইব্রাহিম হোসেন ১৯৯৭ সালে ফসলি জমিতে ফলের বাগান গড়ে তোলেন। এর মধ্যে ১০ বিঘায় আম বাগান, ১০ বিঘায় কলা ও ১০ বিঘা জমিতে সুপারি গাছ লাগান তিনি। প্রথম বছরই আয় হয় চার লাখ টাকা ।
ইব্রাহিম হোসেন বলেন, চাকরি না করে আমি নিজে স্বাবলম্বী হবো, এই জন্য আমি ফলের বাগান করেছি। পুকুর করেছি।এগুলো করে আমি এখন স্বাবলম্বী।
এছাড়া ১০ বিঘা জমিতে আটটি পুকুর খনন করেন তিনি। সেগুলোতে পুরোদমে চলছে মাছ চাষ। নিজস্ব হ্যাচারিতে রেণু ও পুকুরে পোনা উৎপাদন করে বিক্রি করছেন দেশের বিভিন্ন স্থানে।
ইব্রাহিম হোসের ছেলে বলেন, পুকুরে আমরা যে পোনা ছাড়ি তা বিক্রি করে বছরে এক থেকে দেড় লাখ টাকা লাভ হয়।
কৃষক ইব্রাহিম হোসেনের মতো সমন্বিত পদ্ধতিতে ফল ও মাছ চাষ করছেন মান্দা উপজেলার অনেক কৃষক। তেমনি একজন কৃষক বলেন, উনার উৎসাহে এলাকায় কৃষকরা ধান চাষ প্রায় বাদই দিয়ে দিছেন। সবাই কলা, আম, পুকুর কেটে মাছ চাষ এটা করে।
সমন্বিত পদ্ধতিতে চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় এ ধরনের বাগান ও পুকুর তৈরিতে পরামর্শ দিচ্ছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
মান্দার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নাজিমুদ্দিন বলেন, উনার কার্যক্রম খুবই ভালো এবং সন্তোষজনক। উনি যেসব চাষাবাদ করে সেগুলোতে সব সময়ই আমরা পরামর্শ দেই।







