৩৯৭ এগিয়ে থাকা বাংলাদেশ ফলো-অন করিয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে। দ্বিতীয় ইনিংস খেলতে নেমে সফরকারীরা আবারও শুরুতে ধাক্কা খায়। প্রথম ইনিংসের চিত্রনাট্যেই যেন শুরু হয় তাদের দ্বিতীয় ইনিংস। প্রথম আঘাত হানেন সেই সাকিব আল হাসান। তার ঘূর্ণিতে দলীয় ২ রানে এলবিডাব্লিউ হয়ে যান উইন্ডিজ অধিনায়ক ব্র্যাথওয়েট (১)।
এরপর চিত্রনাট্য অনুযায়ী মঞ্চে আসেন মেহেদী হাসান মিরাজ। তুলে নেন কাইরন পাওয়েলের উইকেট। তৃতীয় ব্যাটসম্যান হিসেবে তাইজুল ইসলামের শিকার হন সুনীল অ্যামব্রিস (৪)। এলবিডব্লিউ হন তিনি। টিকতে পারেননি রোস্টন চেজও। ৩ রান করে তাইজুলের বলেই মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। ২৯ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে রীতিমতো কাঁপছে সফরকারীরা।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের সেঞ্চুরিতে ৫০৮ রানে পাহাড় গড়ে বাংলাদেশ। ক্যারিয়ারে তৃতীয়বারের মতো তিন অংকে পা রাখা মাহমুদউল্লাহ ১৩৬ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন। সর্বশেষ তিন টেস্টে এটা তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। হাফ সেঞ্চুরি করেন অধিনায়ক সাকিব (৮০), অভিষিক্ত সাদমান (৭৬) এবং লিটন দাস (৫৪)।
বাংলাদেশের ৫০৮ রানের জবাবে নিজেদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ১১১ রানে অলআউট হয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা খেলতে পেরেছে মাত্র ৩৬.৪ ওভার। দুই ঘূর্ণি তারকা অধিনায়ক সাকিব আল হাসান ৩টি এবং মেহেদী হাসান মিরাজ ৭ উইকেট শিকার করেন। মিরাজের ক্যারিয়ারে ৬ষ্ঠ বারের মতো ৫ উইকেট শিকার। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সর্বোচ্চ ৩৯ রান করেন শিমরন হেটমায়ার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৭ রান শন ডওরিচের।







