আফ্রিকা মহাদেশের সবচেয়ে পুরোনো বাসিন্দা এবং সবচেয়ে বৃহদাকারের বিরল প্রজাতির এক হাতি চোরাশিকারিদের খপ্পরে পড়ে মারা গেছে বলে ধারণা করছে সংরক্ষণবিদরা। ‘দৈত্যাকার দাঁতের’ এই ‘সাতাও ২’ হাতির বয়স ছিলো ৫০ বছর, যার মৃতদেহ তাসাভো জাতীয় পার্কের সীমানার কাছাকাছি পাওয়া যায়।
বিষাক্ত তীরের আঘাতে হাতিটির মৃত্যু হতে পারে বলে ধারণা সংরক্ষণবিদদের। যদিও মৃত্যুর কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। ২০১৪ সালে চোরাশিকারিদের হাতে নিহত বৃহাদাকার দাঁতের অন্য একটি হাতির নামানুসারে ‘সাতাও’য়ের নাম দেওয়া হয়।
মৃতদেহ আবিষ্কারের পর পার্ক কর্তৃপক্ষ পার্কের গহীনেই অভিযান চালিয়ে হাতি চোরাশিকারী দলের দুইজন সদস্যকে আটক করে। তাদের কাছ থেকে তিনটি ধনুক, ১২টি বিষমাখানো তীর এবং একটি একে৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে বলে জানানো হয়।
বিরল প্রজাতির এই আফ্রিকান হাতির সংখ্যা এখন মাত্র ২৫টি। প্রাপ্তবয়স্ক হাতির দাঁত এতো বড় যে তা অনায়াসেই ভূমি স্পর্শ করে।
তাসাভো ট্রাস্টের প্রধান রিচার্ড মোলার হাতির মৃত্যুর ঘটনায় ‘অত্যন্ত মর্মাহত’ বলে এএফপিকে জানান।
তাসাভো পার্কের কর্মীবাহিনী ও কেনিয়ার বন্যপ্রাণী সেবা সংস্থার পক্ষ থেকে মৃত প্রাণীটির বিশাল দাঁত সংগ্রহ করে রাখা হয়েছে। দাঁত দুটির একটি ৫১.৫ কেজি এবং অপরটি ৫০.৫ কেজি ওজনের বলে জানায় তারা।








