চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দেশ পুনর্গঠনসহ সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফজিলাতুন নেছা

মো. সাখাওয়াত হোসেনমো. সাখাওয়াত হোসেন
১০:২৭ পূর্বাহ্ণ ০৫, নভেম্বর ২০১৯
শিল্প সাহিত্য
A A

স্বাধীনতার পরে শারীরিক অসুস্থতার দরুণ বঙ্গবন্ধুকে অস্ত্রোপাচারের জন্য দেশের বাইরে যেতে হয়েছে কয়েকবার। সেই প্রবাসেও বঙ্গবন্ধুর প্রহরী হিসেবে রেণু পাশে ছিলেন সবসময়। বিনিদ্র রজনী কাটিয়ে স্বামীকে সেবা দিয়ে সুস্থ করে তুলেছিলেন রেণু। স্বামীর ইচ্ছেকে কখনো অপূর্ণ রাখেননি পতিব্রতা রমণী ফজিলাতুন নেছা। নিজের ইচ্ছেকে কখনো মুখ ফুটে বলতেন না, সব কিছুকে সহ্য করার অসাধারণ দক্ষতা ও ক্ষমতা ছিল ফজিলাতুন নেছা মুজিবের চরিত্রে। এমনকি, ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট রাতেও সকলের জন্য খাবার রেঁধেছিলেন রেণু।

বঙ্গবন্ধুর সব কাজকেই এবং পছন্দের জিনিসকে সম্মান করতেন রেণু। পারিবারিক, রাজনৈতিক এবং রাষ্ট্রীয় কোন সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও রেণু তার স্বামীকে নিজের বিশ্বাস ও ভালবাসার জায়গা থেকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করতেন। এমনকি বঙ্গবন্ধুর ব্যবহৃত পাইপ নিয়মিত পরিষ্কার করতেন এবং এ কাজ যে দিন না করতে পারতেন সে দিন তিনি অস্থির হয়ে পরতেন। অফিসে যাওয়ার সময় ও আসার পর নিজের হাতে বঙ্গবন্ধুর হাতে পরিধেয় কাপড় ধরিয়ে দিতেন বঙ্গমাতা। কোন কোন দিন আট থেকে দশটি পাইপ পরিষ্কার করে সারিবদ্ধ করে সাজিয়ে রাখতেন প্রিয় স্বামীর জন্য। মনে হয়, শেখ মুজিব জীবনের পড়ন্ত বেলায় যে পাইপটি মুখে নিয়ে মারা যান সে পাইপটিও রেণুর নিজ হাতে পরিষ্কার করা ছিল। পাইপ পরিষ্কার করা যে কত কষ্টের, তা যিনি পরিষ্কার করেন তিনিই বুঝতে পারেন বিষয়টা কিন্তু এ কাজটি অবলীলায় করেছেন রেণু। কাজে কর্মে তিনি বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি বঙ্গবন্ধুর জন্যই পৃথিবীতে এসেছিলেন এবং আমরণ সাথী হয়েছেন।

তবে স্বাধীনতার পরে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জীবন অনেকটা বিষময় হয়ে ওঠে। ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়িতে সারাক্ষণ লোকের ভিড় লেগেই থাকতো। ভাবীর কাছে শত শত প্রার্থনা, নালিশ, অভিযোগ, আবদার নৈতিকতার বিরুদ্ধে। বঙ্গবন্ধুর অফিসে যেমন লোকের জটলা লেগেই ছিল কখনো একটা চেয়ার খালি ছিল না, লোকদের দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। ঠিক তেমনি বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে রেণুর কাছেও লোকদের আনাগোনা ছিল। যদিও রেণুও তোষামোদে আতিষ্ট হওয়ার পাত্রী ছিলেন না, তবু তিনি এ সব দৃশ্য দেখে মনোকষ্টে ভুগতেন। সেই ৩ বছর বয়স থেকে সাংসারিক ও রাজনৈতিক ভাবনায় চরম দুঃসহ যন্ত্রণায় থাকতেন কিন্তু কাউকে লেশমাত্র বোঝার সুযোগ দিতেন না। হয়তবা আশা করেছিলেন দেশ স্বাধীন হলে প্রিয় স্বামীকে নিয়ে সুখের নীড় বাধবেন। কিন্তু তা আর হলো কোথায়? চতুর্দিকে মানুষের মধ্যে পাওয়া না পাওয়ার বেদনা বিরাজমান ছিল ও অল্পতে বেশি পাওয়ার আশায় বিভোর ছিল এক দল লোক। এই বিষয়গুলো কাল হয়ে দাঁড়ায় ফজিলাতুন নেছার পরিবারের জন্য।

তারাই সব সময় শেখ মুজিবের কানের কাছে ঘ্যানর ঘ্যানর করতেন আর তদবীর করতেন অবৈধ বিষয়গুলো পাওয়ার আশায়। ঐ লোকগুলোই ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে বেগম মুজিবের কাছে সত্য-মিথ্যা বলে সর্বদা মানসিক অস্থিরতায় রাখতো। কারণ, ফজিলাতুন নেছা মুজিব যেভাবে কর্মপদ্ধতি বাস্তবায়নের প্রচেষ্টা করেছিলেন তার ছিঁটেফাটাও তিনি পাননি ক্ষমতার সাথে লেপ্টে থাকা মানুষজনের ইতিবাচক মানসিকতার অভাবে। ফজিলাতুন নেছা মুজিবের কাছে এসে একজন অন্যজনের বিরুদ্ধে এসে বিষোদাগার করতো। এতে তিনি ভীষণভাবে মর্মাহত হতেন, আশাহত হতেন।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর অন্যতম গুণ ছিল সাধারণের সাথে সহজে মেশার অসাধারণ যোগ্যতা। প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী হয়েও স্বাভাবিক জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন তিনি। কখনো নিজের ব্যক্তিসার্থ প্রাধান্য পায়নি, লোভ কিংবা বিলাসিতার চিন্তা ভুলেও মাথায় আসেনি রেণুর। সকলের ভালবাসার কারণে তিনি গণভবনে উঠেননি, কারণ সেখানে নিরাপত্তার ঘোরাটোপে সাধারণের সাথে দেখা হওয়ার সুযোগ কমে আসত। তাই তিনি পরিবার সহ গণভবনে যাননি। নিজে বাড়ি থেকে রান্না করে গণভবনে বঙ্গবন্ধুর জন্য খাবার পাঠাতেন এবং জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত স্বামীর পাশে থেকে দেশ ও জাতির কল্যাণ সাধনই ছিল রেণুর মূখ্য উদ্দেশ্য ও পরম পাথেয়। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশে নানামুখী সমস্যার কারণে জিনিসপত্রের অত্যাধিক দাম, পাকিস্তানি প্রেতাত্মাদের সৃষ্ট বিশৃঙ্খলা, সুযোগসন্ধানী স্বার্থান্বেষী মহলের অনাচার আর বিশৃঙ্খলা বেড়ে যায় অত্যাধিক পরিমাণে। এ ধরণের ষড়যন্ত্র-সংঘাত-দ্বন্দ্ব মোকাবেলা করে দেশকে মাত্র সাড়ে তিন বছরের ব্যবধানে একটি মানবিক পর্যায়ে নিয়ে আসার জন্য ফজিলাতুন নেছার সীমাহীন ত্যাগ ও স্বামীর প্রতি আনুগত্যতা দেশপ্রেমিক বাঙালিদের জন্য পাথেয়স্বরূপ।

ফজিলাতুন নেছা মুজিব আর নীলিমা ইব্রাহিম পরস্পরের খুব ভাল বন্ধু ছিলেন। একে অন্যের নিকট সুখ, দুঃখের আলাপ আলোচনা করতেন। বেগম মুজিবের অনুরোধে নীলিমা ইব্রাহিম তাঁকে তুমি বলে সম্বোধন করতেন। ফজিলাতুন নেছা মুজিব চিকিৎসার জন্য একবার বিদেশে যাবেন। নীলিমা ইব্রাহিম বর্ণনা করেন এভাবে, ‘বেগম মুজিব নিজের ঘরে চৌকিতে শুয়ে আছেন। কাছে গিয়ে বসতেই আমার হাত ধরে কেঁদে ফেললেন। মনে হল দেহের চেয়ে মনটাই ভারাক্রান্ত। উঠে বসলেন, বললেন, ‘আপা, জানিনা আমি বাঁচবো কিনা।’ তারপর আমার হাতখানা ওঁর মাথার উপর রেখে বললেন-‘আপা আমাকে দোয়া করবেন। আপনি আমাকে রেণু বলে ডাকবেন, আমি তো আপনার ছোট্ট বোনের মতো।’ আমি আদর করে ওঁকে শুইয়ে দিলাম। বললাম- ‘রেণু সত্যিই আমি তোমার বড় বোন। আমার এক বোন আছে ওঁর নাম রেণু। আমি বলছি তুমি ভাল হয়ে, সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝখানে ফিরে আসবে।’ নিজের ওপর অনেক জুলুম গেছে। মন মানলেও দেহ মাঝে মাঝে বিদ্রোহ করে। সত্যিই সুস্থ হয়ে হাসিমুখে রেণু ফিরো এলো।’ কাছের মানুষদের সাথে অকপটে মনের কথা উৎসারিত হতো ফজিলাতুন নেছার অন্তরে। সকলকে আপন করে নেওয়ার মাধ্যমে নিজের দুঃখকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার মাঝে শান্তি খুঁজে বেড়াতেন বাঙালির বুকের ধন ফজিলাতুন নেছা।

Reneta

বঙ্গবন্ধু পরিবারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সুলতান শরিফ বলেন, ‘আমার স্মৃতিপটে হাজার হাজার ঘটনা রয়েছে যারা খুব দূরবস্থার মধ্যে এ পরিবারের নিকট থেকে সুবিধা পেয়েছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে সকল দয়ার অধিকারী বেগম মুজিব সবাইকে সমানভাবে গ্রহণ করেছিলেন। সকলের দোষ-ত্রুটিকে পেছনে ফেলে রেখে সকলকে সাদরে গ্রহণ করেছিলেন। যাতে তারা দেশের জন্য কাজ করতে পারেন একত্রে, এ জাতীয় দৃষ্টান্ত আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পথিকৃৎ হয়ে থাকবে। বেগম মুজিবের কাছে বাঙালি জাতির অনেক কিছু শেখার আছে। যারা তাকে অত্যন্ত প্রিয়পাত্র মনে করতেন, সুফিয়া কামালকে এত মায়া করতেন, তার সম্পর্কে কথা বলতেন মায়া আদর দিয়ে। বেগম নীলিমা ইব্রাহিম তাঁর মায়া, মমতা নিয়ে বলেছেন তার রচিত বইয়ে যাতে বেগম মুজিবের মায়া, শ্রদ্ধা, ভালবাসা আর দেশপ্রেম নিয়ে বর্ণিত হয়েছে।’ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের অগ্রনায়ক হিসেবে বঙ্গবন্ধুর যোগ্য সহচর হিসেবে সকলকে মায়ার বাঁধনে বেঁধে নিয়েছিলেন এই মহিয়সী নারী।

সুলতান শরিফ আরো উল্লেখ করেন, ‘মহিরুহ হয়ে এসেছিলেন, বিরাট আলোর ছায়া হয়ে বাঙালির মুক্তিসংগ্রামের পথিকৃৎ হয়ে, বঙ্গবন্ধুর বিশাল মহত্ব ও ব্যক্তিত্বের কাছে কখনো ম্লান হয় নাই বেগম মুজিবের কর্মযজ্ঞ। বিশেষ করে আমরা যারা আওয়ামীলীগের কর্মী তাঁর নিকট থেকে স্নেহ পেয়েছি। ঐ বাড়িতে বাংলাদেশের স্থপতি, বাংলাদেশের ১ম রাষ্ট্রপতি, স্বাধীন বাংলাদেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার পরে প্রথমাবস্থায় প্রধানমন্ত্রী, পরবর্তীতে প্রেসিডেন্ট ছিলেন। এতে ঐ বাড়িতে তেমন কোন পরিবর্তন হয় নাই। স্বাধীনতার আগে উনি সবার আগমনকে অত্যন্ত আন্তরিকভাবে গ্রহণ করতেন, মায়া করতেন, উনার বাড়িতে উনার ছেলেমেয়ে, উনার বোনের ছেলেমেয়ে, নাসের সাহেবের ছেলেমেয়েদের বাড়ি যেমন ছিলো, ঐ বাড়িটা আমাদের জন্যও তেমনি ছিল। ঐ বাড়িতে যেতে কোন নিয়ম-নীতি ছিল না। দেশে-বিদেশে অনেকের সাথে আমার পরিচয় ছিলো, তারা ঢাকায় আসার সময়, বঙ্গবন্ধুর সাথে দেখা করার ইচ্ছা, আগ্রহ বা অনুরোধ করতেন। ঐ বাড়িতে যাওয়ার জন্য আগে থেকে অনুমতি নিতে হয় নাই। বাইরের কেউ আসলে আমি বাড়িতে নিয়ে গেছি, বাড়িতে থাকলে অবশ্যই দেখা হত।

বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনাও একই রকম। রাজনৈতিক কর্মীরা যদি কাউকে নিয়ে যায়, তাহলে তিনি কখনো মাইন্ড করেন না বা সামান্য বিরক্তিও প্রকাশ করেন না। আমি বিশ্বাস করি এটি উনি উনার মায়ের কাছ থেকে শিক্ষা পেয়েছেন।’ ফজিলাতুন নেছার অসংখ্য গুণের মধ্যে অপরকে আপন করে নেওয়ার যোগ্যতাটি ছিল একেবারেই ব্যতিক্রম।

মেয়েদের পুনর্বাসনে ফজিলাতুন নেছা মুজিবের অবদানের কথা উল্লেখ করে সুলতান শরিফ বলেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে মেয়েদের পুর্নবাসন করা, যারা উদ্বাস্তু হয়েছিল তাদের ফেরত আনার ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট ছিল। সেই সময়ের মানুষেরা যারা তাদের কাছে পৌঁছতে পেরেছিল সকলেই একই রকমের মন্তব্য করে থাকেন, ঐ বাড়িতে কলাপসেবল গেট কখনো আটকানো ছিল না। শেখ কামাল, শেখ জামাল, তাদের চোখে যদি পড়তো কেউ বাড়ির কাছাকাছি, তাদেরকে ভেতরে আসার ব্যবস্থা করতেন। কোন লোককে কখনো বা ঐ বাড়ি থেকে কেউ অসন্তুষ্ট হয়েছে এমন শোনা যায়নি। মহিলাদের পুনর্বাসনের সাথে সাথে স্বাধীনতার পরে রিলিফ কমিটি করে ইউনিয়ন পর্যায়ে বিলি-বণ্টন করা হতো পণ্য সামগ্রী, কারো কাছ থেকে কোন অভিযোগ করলে তিনি সাথে সাথে ব্যবস্থা নিতেন।’ মূলত রিলিফ কমিটি, দুস্থ মেয়েদের পুর্নবাসনের জন্য বঙ্গজননী; বেগম সুফিয়া কামাল ও নীলিমা ইব্রাহিমের কাছ থেকে সহায়তা নিয়ে তদানুযায়ী ব্যবস্থা নিতেন।

সুলতান শরিফ বিশেষ ভাবে উল্লেখ করেন, ‘বেগম সুফিয়া কামালকে সাথে নিয়ে নির্যাতিত মাহিলাদের বিশেষ করে গর্ভবতী মহিলাদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তিনি। ঐ কাজটির নেতৃত্ব দিয়েছেন বেগম মুজিব, সন্তান এবং মায়েদের বাঁচিয়েছেন। চাকরির মধ্যে মেয়েদের বিশেষ সুযোগ যতটুকু ছিল তার সবটুকুর ব্যবস্থা তিনি করেছিলেন।’ একজন নারী হয়ে মুক্তিযুদ্ধে নির্যাতিত নিপীড়িত নারীদের জীবনমান উন্নয়ন ও সম্মান আর ইজ্জতের সাথে সমাজে বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করেছিলেন রেণু। প্রত্যন্ত গ্রাম থেকেও যেকোন নারী বেগম মুজিবের দ্বারস্থ হতে পারতেন এবং সে অনুযায়ী তিনি সাধ্যমত চেষ্টা চালাতেন। সচরাচর প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রীদের কাছে কোনও জমানায় এমন নির্বিঘ্নে সাক্ষাৎ করার সুযোগ থাকে না, কিন্তু অসীম দয়ার অধিকারী ফজিলাতুন নেছার কাছে সকলের প্রবেশাধিকারের অনুমতি ছিল এবং খুব সহজেই সবাইকে আপন করে নিতেন তিনি।

পুরস্কার ও সম্মাননা
কাজের স্বীকৃতি ব্যক্তিকে আরো উদ্যমী, সাহসী ও দেশের প্রতি আত্মনিবেদনশীল করে তোলে। জনসেবায় কাজ করার জন্য উদ্বুদ্ধ করে তোলে, অন্যদের কাছে উদাহরণ স্বরূপ হয়ে থাকে কাজের প্রকৃতিগুলো। প্রকৃত অর্থে, ঐসব ব্যক্তি যারা স্বীকৃতি পেয়ে থাকেন কেউই স্বীকৃতির জন্য কোন কাজ করেননা, কাজ করে থাকেন মানবিক বোধ থেকে, নিজস্ব চেতনা ও স্বাতন্ত্র্য থেকে আর সেই কাজগুলিতে ব্যক্তিগত সুবিধার লেশমাত্র থাকে না। আবার জগতে যারা মহিয়সী ও লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে জনসেবায় কাজ করে থাকেন তাদের জীবদ্দশায় আলোচনায় স্থান না পেলেও মরণের পরে মানুষের শ্রদ্ধা ভালবাসা পেয়ে থাকেন ব্যাপকভাবে। এ ধরনের ব্যক্তিত্বশীল মানুষগুলোর মধ্যে ফজিলাতুন নেছা মুজিব অন্যতম। ফজিলাতুন নেছার কর্মকাণ্ড নিয়ে তাঁর জীবদ্দশায় তেমন কোন আলোচনা হয় নাই, কখনো কখনো স্বামীর রাজনৈতিক সক্রিয়তার কারণে ফজিলাতুন নেছার কৃতিত্ব আড়ালে পড়ে যায়। কিন্তু বর্তমানে বঙ্গবন্ধুর বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনে রহিত ফ্যাক্টরের মধ্যে ফজিলাতুন নেছার অবদান খুঁজে পেয়েছেন নতুন প্রজন্মের গবেষকরা। কিংবা অর্ন্তদৃষ্টি দিয়ে চিন্তা করলেই অনেক বিষয় বেরিয়ে আসছে। বঙ্গবন্ধু রচিত অসমাপ্ত আত্নজীবনী ও কারাগারের রোজনামচায় গ্রন্থ দুটিতে বেগম মুজিবের অসামান্য অবদানের স্বরূপ বিশ্লেষণ করা হয়েছে। ফজিলাতুন নেছা মুজিবকে নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হচ্ছে প্রত্যেকটি সেক্টরে। তিনি যে সব বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছিলেন সে বিষয়গুলি বর্তমানেও আলোচনার টেবিলে বিশদাকারে বর্ণিত হচ্ছে, অথচ ফজিলাতুন নেছা মুজিব সেই আমলে এ সব ইস্যু নিয়ে ভেবেছেন।

বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মদিনমানুষ হিসেবে মানুষের ভালবাসা পাওয়াটাই জীবনের শ্রেষ্ঠ অর্জন। ফজিলাতুন নেছা নিজে কখনো প্রচারনায় আসতে চাইতেন না। প্রচারবিমুখ থেকে তিনি কাজের কাজটা করতেন অবলীলায়, বঙ্গবন্ধুকে সব ধরনের কাজেই সহায়তা করতেন। রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নে ফজিলাতুন নেছার অনন্য ভূমিকা রয়েছে। ১৯৭৪ সালের ৮ই মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবসে শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে অসামান্য অবদানের জন্য মহিলা সমিতি কর্তৃক সম্মাননা প্রদান করা হয়। বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের ক্ষেত্র হিসেবে পরিগণিত প্রত্যেকটি রাজনৈতিক আন্দোলনে তিনি ওতপ্রোতভাবে নিজেকে জড়িয়ে ছিলেন।

চলবে…

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: বঙ্গমাতাশেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিবশেখ মুজিব
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

৪৩ বর্ষী গোলরক্ষক নিয়ে ২৮ বছর পর বিশ্বকাপে যাচ্ছে স্কটল্যান্ড

মে ১৯, ২০২৬

ট্রাম্পের পর এবার চীনে ভ্লাদিমির পুতিন

মে ১৯, ২০২৬

বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেন লোপেজ, আবেগঘন বার্তা ইয়ামালের

মে ১৯, ২০২৬

লীগ সেদিনই ব্যাক করেছে, যেদিন ‘২৪ কে ’৭১ এর বিরুদ্ধে দাঁড় করানো হয়েছিল: মাহফুজ আলম

মে ১৯, ২০২৬

চালকের আসনে বাংলাদেশ, অলৌকিক কিছুর আশায় পাকিস্তান

মে ১৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT