সাউথ আফ্রিকা বিপক্ষে মিরপুরে সিরিজের প্রথম টেস্ট গণ্য হচ্ছে সাকিব আল হাসানের বিদায়ী টেস্ট হিসেবে। বাংলাদেশের খেলা ছাপিয়ে বিশ্বতারকা সাকিবের শেষ টেস্ট হিসেবে পাচ্ছে বিশেষ গুরুত্ব। আছে উৎকণ্ঠাও। ৫ দিন ধরে চলবে ম্যাচ, খেলা চলাকালীন সময়ে না আবার অক্রিকেটীয় কিছু ঘটে, এমন শঙ্কাও আছে!
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ২১ অক্টোবর সকাল ১০টায় শুরু ম্যাচ। দুই দিন আগে ছাড়া হবে টিকিট। ম্যাচের স্কোয়াডে সাকিব আছেন। ফ্লাইট শিডিউল অনুযায়ী সাকিবের ঢাকায় পৌঁছানোর কথা বৃহস্পতিবার রাতে। এ পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল।
একটি সূত্রে জানা গেছে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে আসার পথে সাকিব এখন দুবাইয়ে যাত্রা বিরতিতে আছেন। গতকাল দুবাইয়ে পৌঁছানোর পর তিনি বাংলাদেশ থেকে বার্তা পান ঢাকা থেকে গ্রিণ সিগন্যাল না পাওয়া পর্যন্ত দেশে আসার বিমানে না চড়তে। পরবর্তী সিদ্ধান্ত না জানানো পর্যন্ত যেন তিনি সেখানেই অবস্থান করেন। নিরাপত্তার কারণেই সাকিবকে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে ওই বার্তা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাকিবের দেশে ফেরার ব্যাপারে বিসিবির কেউই মুখ খুলছেন না। গতকাল নির্বাচক হান্নান সরকার ফেসবুক পোস্টে ইঙ্গিত দেন সাকিব ফিরছেন এবং মিরপুরেই হতে যাচ্ছে কিংবদন্তি ক্রিকেটারের শেষ টেস্ট। বিকেলে আনুষ্ঠানিকভাবে মিরপুর টেস্টের দল ঘোষণা করে বিসিবি। সাকিবকে রাখা হয় স্কোয়াডে।
এরপর থেকে আলোচনায় সাকিবের দেশে ফেরা। সরকার পরিবর্তনের পর সাবেবক সরকারের এমপি আর দেশে ফেরেননি। ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার জন্য তিনি দেশের বাইরে। তারপরও দেশে হত্যা মামলার আসামী করা হয় তাকে।
যে কারণে সাকিবের দেশে ফেরার পথ কঠিন হয়ে পড়ে। সরকার নমনীয় হওয়ার সবুজ সংকেত দেয়াতে সাকিব আসার সিদ্ধান্ত নিতে পেরেছেন। তবে সাকিব-বিরোধী কর্মকান্ড আরও বেশি চলতে থাকলে মিরপুর তার খেলার পথ বন্ধও হয়ে যেতে পারে।
গত কয়েক দিন মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সাকিবের বিরুদ্ধে কিছু মানুষ বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে মিছিল করেছেন, দেয়াল লিখন লিখেছেন। গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়েও তাঁর কুশপুত্তলিকা দাহ করা হয়েছে।
সাকিবকে যেন দেশের মাটিতে শেষ টেস্ট খেলতে না দেওয়া হয়, সে দাবি নিয়ে আজকেও স্মারকলিপি নিয়ে মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে যাওয়ার কথা একটি গ্রুপের।








