যুক্তরাজ্য ও সৌদি আরবে ৮ দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার কিছু পরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম হেলাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বাংলাদেশ সময় রোববার দিবাগত রাত ১টায় লন্ডনের হিথ্রো আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ভিভিআইপি ফ্লাইটে তিনি রওনা দেন। যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের হাইকমিশনার নাজমুল কাওনাইন বিমানন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।
সফরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৌদি আরবে গাল্ফ শীল্ড-১ শীর্ষক যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
সেখান থেকে তিনি যান লন্ডনে। শেখ হাসিনা ১৯ এপ্রিল কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের (সিএইচওজিএম) আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনী এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী টেরেসা মে আয়োজিত অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
এ বছর সিএইচওজিএম এর প্রতিপাদ্য ছিল ‘অভিন্ন ভবিষ্যৎ অভিগামী’।
এছাড়া প্রধানমন্ত্রী কমনওয়েলথ মহাসচিব প্যাট্রিসিয়া স্কটল্যান্ড কিউসির দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।
শেখ হাসিনা বাকিংহাম প্যালেসে সরকার প্রধান ও তাদের স্বামী/স্ত্রীদের সম্মানে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের দেয়া সংবর্ধনা ও নৈশভোজে অংশ নেন।
তিনি ১৭ এপ্রিল ওয়েস্টমিনস্টারে রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ সম্মেলন কেন্দ্রে ‘ক্ষমতায়নে শিক্ষা : কমনওয়েলথ দেশগুলোতে মেয়েদের জন্য সমমাত্রিক ও গুণগত প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা ব্যবস্থা’ শীর্ষক কমনওয়েলথ ওম্যান ফোরামের অধিবেশনে যোগ দেন।
প্রধানমন্ত্রী একই দিনে যুক্তরাজ্যের খ্যাতনামা থিঙ্কট্যাঙ্ক ওভারসিজ ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউট (ওডিআই) আয়োজিত ‘বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রগতি : নীতি, অগ্রগতি ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে প্রধান বক্তা হিসেবে যোগ দেন।
তিনি ১৮ এপ্রিল এশীয় নেতাদের ‘এশিয়ার ক্রমবর্ধমান বিকাশ কি অব্যাহত রাখা সম্ভব (ক্যান এশিয়া কিপ গ্রোয়িং) শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক’ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী আয়োজিত নৈশভোজে যোগ দেন।
২৫তম কমনওয়েলথ সরকার প্রধানদের বৈঠকের ফাঁকে শেখ হাসিনা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।
শেখ হাসিনা ২১ এপ্রিল আওয়ামী লীগ লন্ডন শাখা আয়োজিত লন্ডনের মেথোডিস্ট সেন্ট্রাল হলে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে বাংলাদেশের উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণের জন্যে প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দেন।







