চাঁপাইনবাবগঞ্জে প্রথমবারের মতো জিরা আবাদ করেছেন কৃষক সাদেক আলী বিশ্বাস। প্রথম বছরেই সম্ভাবনার কথা জানাচ্ছেন তিনি।
ভোলাহাট উপজেলার কৃষক সাদেক আলী তার পাঁচ বিঘা জমিতে পরীক্ষামূলক জিরার আবাদ করেছেন। ভারতের গুজরাট থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ এবং বীজ এনে তিনি চাষের উদ্যোগ নেন। বিঘা প্রতি তার খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।
সাদেক আলী বলেন, আমি চাচ্ছি আমি যদি জিরা আবাদ করে দেখাতে পারি দেশের লোক করে খাবে। এটাই আমার আসল উদ্দেশ্য।
সাদেক আলী বিশ্বাস জানাচ্ছেন জিরা ক্ষেতে তেমন রোগ বালাই নেই। রাসায়নিক সারের চেয়ে জৈব সারই বেশি উপযোগী। বিঘা প্রতি ফলন পাওয়া যায় চার থেকে পাঁচ মণ, যা থেকে ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা লাভ করা সম্ভব।
আগামীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে জিরা আবাদ সম্প্রসারণের আশা কৃষি বিভাগের।
ভোলাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল ওয়াদুদ বলেন, বাংলাদেশের কিছু কিছু জায়গায় জিরার চাষ হয়। কিন্তু ভোলাহাটে এই প্রথম। গতবারের জিরার যেই অবস্থা আমার বিশ্বাস যদি আমরা মসলা গবেষণার সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখি এবং সাদেক আলী বিশ্বাসকে আমরা প্রশিক্ষণ দিতে পারি তবে এই ভোলারহাটে মসলা হিসেবে জিরার আবাদ বৃদ্ধি পাবে।
কৃষক সাদেক আলী বিশ্বাস ইতোমধ্যে ভার্মি কম্পোস্ট সার উৎপাদন, কুল ও পেয়ারা চাষ করে এলাকায় সাড়া ফেলেছেন।






