টি২০ বিশ্বকাপ মিশন শেষে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। রোববার সকাল সোয়া নয়টা দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে তারা।
দেশে ফিরে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা বলেছেন, দু-একটি বিষয় ছাড়া প্রায় সবই ছিল পজিটিভ। যেগুলো টি২০’র ক্ষেত্রে আগামীতে কাজে লাগবে।
বিশ্বকাপের বাছাইপর্বে দুরন্ত পারফর্ম করে সুপার টেনে জায়গা করে নেয় বাংলাদেশ। তবে সুপার টেন পর্বের চার ম্যাচের চারটিতেই হেরে বিদায় নেয় টাইগাররা।
মাশরাফি বলছেন, ‘ম্যাচ শেষে জয় পরাজয়টাই আসল। আমরা কেমন খেলেছি তা হয়ত কেউ মনে রাখবে না’।
তবে ম্যাচের ফলাফলে হতাশ হলেও দল যেভাবে খেলেছে তাতে গর্বিত টাইগার অধিনায়ক।
তিনি বলেন, ‘ছয় মাস আগেও টি টোয়েন্টিতে আমরা সেভাবে ভালো করতে পারিনি। কিন্তু এখন বলতে পারি, ক্রিকেটের এই ফরম্যাটেও আমাদেরকে হারানো যে কোনো দেশের জন্য কঠিন হবে। আমরা সেটা বিশ্বকাপে প্রমাণ করেছি।’
কঠিন সময়ে সমর্থন যুগিয়ে যাওয়ায় দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানান মাশরাফি। বলেন, তাদের জন্য ভবিষ্যতে আরো অনেক ম্যাচ জিতবেন তারা।
বিশ্বকাপ চলাচালে পেসার তাসকিন আহমেদের ওপর আইসিসির নিষেধাজ্ঞা নিয়েও কথা বলেন মাশরাফি। বলেন, টুর্নামেন্টের মাঝপথে এমন একটা খবর তাদের জন্য কঠিন ছিল। তার সাধারণ ডেলিভারিতে সমস্যা ছিল না। যেহেতু কেবল বাউন্সারে সমস্যা ছিল, তাই আমরা এও বলেছিলাম, সে বাউন্সার করবে না।’
তাসকিন-সানির ব্যাপারটি যে টিমের পারফর্মেন্সে প্রভাব ফেলেছে সেটাও বলেছেন মাশরাফি। তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া ম্যাচের আগে যখন খবরটা এলো তখন স্বাভাবিক ভাবেই সেটা আমাদের পারফর্মেন্সে একটু প্রভাব ফেলেছে। তাসকিন যে ফর্মে ছিল তাতে ও দলে থাকলেও ম্যাচের ফলটা অন্য রকম হতে পারতো।
তাসকিনের খেলার বিষয়টি নিশ্চিত করতে অনেক চেষ্টা করা হয়েছে উল্লেখ করে মাশরাফি বলেন, আমরা বিসিবির সাথে আগেই কথা বলেছিলাম। এ নিয়ে অনেক কথাও হয়েছে। কিন্তু এটা হ্যান্ডেল করা আসলেই কঠিন ছিল।
বিমানবন্দরে মাশরাফি কথা বলেন টিম সিলেকশন নিয়েও। নাসিরের প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশ অধিনায়ক বলেন, এটা আসলে একক কোনো সিদ্ধান্ত না। এক কথাই বলতে হবে যে, কম্বিনেশনের কারণেই তাকে খেলানো হয়নি। তবে আমার মনে হয় সে খেলতে পারতো।
বিশ্বকাপের ভুলক্রটি শুধরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভালো কিছু করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মাশরাফি বিন মর্তুজা।






