অসদুপায় অবলম্বন করে ভারতের বিহার রাজ্যের পাবলিক পরীক্ষায় মেধা তালিকার এক নম্বরে থাকা রুবি রায়কে আটক করেছে পুলিশ।
মেধাতালিকায় এক নম্বরে থেকেও ১৭ বছর বয়সী এই শিক্ষার্থী যখন পলিটিক্যাল সায়েন্স-কে ‘প্রডিকাল সায়েন্স’ বলেন তখন তার যোগ্যতা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে প্রশ্ন ওঠে। নড়েচড়ে বসে প্রশাসন।
সমালোচনা সামলাতে আবার তার টেস্ট নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কর্তৃপক্ষ। প্রথম দুইবার রুবিকে টেস্ট দিতে ডাকা হলেও অসুস্থতার অজুহাতে এড়িয়ে যায় সে। কিন্তু তৃতীয়বার আর হাজিরা এড়াতে পারেনি সে।
পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলোই আবার তাকে সমাধান করতে দিলে সেগুলোর সমাধানে ব্যর্থ হন তিনি। এমনকি ভারতীয় কবি তুলসি দাসকে নিয়ে রচনা লিখতে বলায় রুবি শুধু ‘তুলসি দাস মহাশয় প্রণাম’ লিখেই থেমে যান। অভিযোগের প্রমাণ পেয়ে রুবিকে কোর্টে হাজির করা হয় এবং এরপর কারাগারে পাঠানো হয়।
অবশ্য শিক্ষার্থীকে এভাবে কারাগারে পাঠানো নিয়েও সমালোচনা চলছে। বিহারের এক মন্ত্রী বলেছেন শিক্ষার্থীদের আটক না করে বরং অসদুপায়ের প্রশ্রয় দেয়া গোটা ব্যবস্থাকেই দায়ী করতে হবে।
তালিকায় শীর্ষে থাকা আরও কয়েক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধেও একই অভিযোগে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তালিকায় বিজ্ঞান বিভাগের ‘শীর্ষ’ সৌরভ শ্রেষ্ঠ নামের এক শিক্ষার্থী ‘এইচ টু ও’ যে পানির সংকেত তা-ই জানেন না!
এই যখন পরিস্থিতি তখন অসদুপায়ের অভিযোগে এমন আরও ১৮ জন ‘মেধাবীকে’ গ্রেফতার করেছে বিহার পুলিশ।
উল্লেখ্য, এবার বিহারের পাবলিক পরীক্ষায় কেন্দ্রগুলোতে অভিভাবকদের নকল সরবরাহের ন্যাক্কারজনক ছবি প্রকাশিত হয়েছিলো ভারতসহ আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে।








