অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগে বিমানের এমডিকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। বিমান সচিব জানিয়েছেন, এই অপসারণের মাধ্যমে বিমানে সংস্কার শুরু হলো। দুদক চেয়ারমান বলছেন, বিমানের দুর্নীতি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে কমিশন। তদন্ত শেষে শিগগিরই দোষীদের আইনের আওতায় আনা হবে বলেও জানান তিনি।
তদন্ত চলার মধ্যে মঙ্গলবার রাতে পরিচালনা পর্ষদের সভায় অব্যাহতি দেয়া হয় বিমানের এমডি এবং সিইও এ. এম. মোসাদ্দিক আহমেদকে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সদ্য সাবেক এমডি ও সিবিএ নেতাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের ১৪৭ জনকে চিঠি পাঠিয়েছে দুদক।
ইজিপ্ট এয়ারের কাছ থেকে লিজে আনা এয়ারক্রাফটের জন্য প্রতি মাসে ১০ কোটি টাকা মাসুল দেয়া নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের উপর ক্ষুব্ধ ছিলো মন্ত্রণালয়। এ ঘটনার নিয়ে তদন্তের পর বেরিয়ে আসে বিমানের কার্গো হ্যান্ডেলিং, সিট রিজার্ভেশন, পাইলট নিয়োগ ও লন্ডনে টিকিট বিক্রি নিয়ে নানা অনিয়ম এবং দুর্নীতির খবর। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে গঠন করা হয় একাধিক তদন্ত কমিটি। বিমানের এসব দুর্নীতি তদন্তে মাঠে নামে দুদক।
এসব সংস্কারের মধ্যে ইতিবাচক ফল এসেছে। এপ্রিল মাসেই টিকিট বিক্রি থেকে আগের মাসের চেয়ে ৭২ কোটি টাকা বেশী আয় হয়েছে।
বিস্তারিত চকোর মালিথার রিপোর্টে:







