৪৫৫ রানের লিড নিয়ে চট্টগ্রাম টেস্টের তৃতীয় দিন শেষ করেছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশের বোলাররা দ্বিতীয় ইনিংসে ১০২ রানে লঙ্কানদের ৬ উইকেট তুলে নিলেও লিড সাড়ে চারশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় স্বস্তিতে নেই স্বাগতিকরা। বাংলাদেশকে দুইশর আগে অলআউট করে প্রথম ইনিংসে ৩৫৩ রানের লিড নেয় সফরকারীরা।
বাংলাদেশকে ফলো-অন না করিয়ে চা-বিরতির পর দ্বিতীয় ইনিংসের ব্যাটিং শুরু করে শ্রীলঙ্কা। প্রথম ইনিংসে ৫৩১ রান করলেও লঙ্কানরা ধুঁকছে এবার। হাসান মাহমুদ চারটি ও খালেদ আহমেদ দুটি উইকেট তুলে নিয়ে ধস নামান। ৮৯ রানে ৯ উইকেট হারায় তারা। ৭ রানে জীবন পাওয়া অ্যাঞ্জেলো ম্যাথুস ৩৯ রানে অপরাজিত আছেন। ৫০ বলের ইনিংসে ছিল তিনটি চারের মার।
হাসানের বলে শাহাদাত হোসেন দীপুর হাতে ক্যাচ দিয়েছিলেন ম্যাথুস। জীবন পেয়ে রয়েছেন ফিফটির পথে। সিলেট টেস্টের মতোই প্রথম ইনিংসই ম্যাচে গড়ে দিয়েছে ব্যবধান।
১৮০, ১৩৯, ১৮৮, ১৮২, ১৭৮… টেস্টে টানা পাঁচ ইনিংসে বাংলাদেশের ব্যাটিংয়ের চিত্র। সবগুলোই ঘরের মাটিতে। শেষের তিনটি স্কোর শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে। লঙ্কানদের ৫৩১ রানের জবাবে চট্টগ্রাম টেস্টে স্বাগতিকরা গুটিয়ে গেছে ১৭৮ রানে। জাকির হাসান সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে সিলেটে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশ ১৮৮ ও ১৮২ তে অলআউট হয়ে ৩২৮ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হয় নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
চট্টগ্রামের ব্যাটিং উইকেটেও ভাগ্য ফেরেনি বাংলাদেশের। থামতে হয় দুইশর আগে। তার আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজে মিরপুরে দ্বিতীয় টেস্টে ১৮০ ও ১৩৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশ।
দলীয় ৯৬ রানে বিশ্ব ফার্নান্দোর বলে আউট হন জাকির। ১ রান করে ফিরে যান অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর তাইজুলও আউট হন। ৯৬/১ থেকে বাংলাদেশের স্কোর হয়ে যায় ১০৫/৪।
শ্রীলঙ্কাকে ৫৩১ রানে থামিয়ে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালোই হয়েছিল বাংলাদেশের। দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষ হওয়ার খানিকটা সময় আগে ভুল করে বসেন মাহমুদুল হাসান জয়। লাহিরু কুমারার বলে লাইন মিস করে বোল্ড হন শেষবেলায়।








