পুরো নাম রোনাল্ডো লুইস নাজরিও ডি লিমা। তবে সেটি পুরোটা না জানা থাকলেও সমস্যা নেই। কারণ ‘রোনাল্ডো’- এই একটা নামেইতো অস্থির পুরো ফুটবল দুনিয়া। হ্যা, ব্রাজিলের অন্যতম সেরা ফুটবল সুপারস্টার রোনাল্ডোর কথাই বলছি। বলছি এই কারণেই কারণ মহানায়কের জন্মদিন আজ। সময় যে কিভাবে বয়ে যায়। এই না সেদিন ২০০২ বিশ্বকাপের ফাইনালে দু’দুগোল করে জার্মানির স্বপ্ন ভেঙ্গে ব্রাজিলকে চ্যাম্পিয়ন করলেন। অথচ দেখতে দেখতে আজ ৩৯ বছরে পা দিচ্ছেন সেলেকাও সুপারস্টার।
মাঠের লড়াইয়ে জার্সি পড়ার বয়স আর না থাকলেও তাকে মনে রাখার মতো অনেক রেকর্ড রেডি আছে রেকর্ডবুকে। একে একে চোখ বুলিয়ে নিন সেগুলোতে।
ব্রাজিলের জার্সিতে ৯৮টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে ৬২ গোল করেছেন রোনাল্ডো। দেশের পক্ষে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতা। ‘দি ফেনোমেনন’ নামে স্বীকৃতি পেয়েছেন এই তারকা স্ট্রাইকার।
ফিফা ওয়ার্ল্ড প্লেয়ার অব দ্য ইয়ার হয়েছেন তিন বার। নিজগুণে স্থান করে নিয়েছেন ‘ফিফা-হান্ড্রেড’ লিস্টে। পেলে’র তৈরী করা গ্রেটেষ্ট ফুটবলার কম্পাইলয়েও নাম আছে নাম্বার নাইন-এর।
জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গোল ডটকমের অনলাইন জরিপে ‘প্লেয়ার অব দ্য ডিকেইড’ রোনাল্ডো। গোল ডটকমের ‘টিম অব দ্য ডিকেইড-এর সেন্টার ফরোয়ার্ড পজিশনে জায়গা হয়েছে রোনাল্ডোর।
১৯৯৮ বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড় গোল্ডেন বল বিজয়ী রোনাল্ডো ২০০২-এর ফাইনালে দু’দুটি গোল করে ব্রাজিলের পঞ্চম বিশ্বকাপ জয়ে রাখেন অসামান্য অবদান। সে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতে নেন গোল্ডেন বুট।
এরপর ২০০৬ বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পারফরম্যান্স আরও দুর্দান্ত। বিশ্বকাপের এক আসরে সর্বোচ্চ ১৫টি গোল করে নতুন রেকর্ড গড়েন, পেছনে ফেলেন ১৪ গোল করা জার্মানির গার্ড মুলারকে।
পুরো ক্যারিয়ারে অনেকবারই ইনজুরিতে পড়েছেন এই ফুটবলার। শেষ পর্যন্ত এই ইনজুরির কাছেই নতি স্বীকার করে সময় হওয়ার অনেক আগে ইতি টেনেছেন নিজের ক্যারিয়ারের। ২০১১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ফুটবল থেকে একেবারে অবসর নিয়ে নেন ‘দি ফেনোমেনন’ রোনাল্ডো।







