দিল্লির বাসে গণধর্ষণের শিকার মেডিকেল শিক্ষার্থীর নাম প্রকাশ করেছেন তার মা। ২০১২ সালের আলোচিত এই ঘটনা বিশ্বব্যাপী আলোড়ন সৃষ্টি করলেও এতোদিন বর্বরোচিত ঘটনার শিকার হওয়া তরুণীর নাম নিয়ে ছিলো নানা জল্পনা-কল্পনা।
দিল্লি ঘটনার তিনবছর পূর্তির এক জনসমাবেশে ওই মেডিকেল শিক্ষার্থীর মা আশা সিং তার মেয়ের নাম ‘জ্যোতি সিং’ বলে ঘোষণা করেন। মেয়ের নাম প্রকাশে কোনো লজ্জাও নেই বলে জানান এই মা।
ভারতের আইন অনুযায়ী ধর্ষিত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা যায় না। ২০১২ সালের ওই পৈশাচিক নির্যাতনে জ্যোতি সিং মারা যাওয়ার পরও গণমাধ্যমে তার ছদ্মনাম ব্যবহার হয়ে আসছিলো।
২০১২ সালের ১৬ ডিসেম্বর দিল্লির বাসে মেডিকেল ছাত্রী জ্যোতি সিংয়ের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায় ৬ ধর্ষক। ঘটনার পর দিনই দিল্লি পুলিশের হাতে ধরা পড়ে বাসের ড্রাইভার ও মূলহোতা রাম সিং। কয়েকদিনের মধ্যেই বাকী অভিযুক্তদেরও আটক করা হয়। এরমধ্যেই ২৯ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জ্যোতি। ২০১৪ সালে ৪ ধর্ষককে মৃত্যুদণ্ড দেন আদালত। ধর্ষকদের মধ্যে অপ্রাপ্ত বয়স্ক একজনকে তিন বছর সংশোধন কেন্দ্রে থাকার সাজা দেয়া হয়। তবে তার আগেই কারাগারে আত্মহত্যা করে ড্রাইভার রাম সিং।







