আর্জেন্টিনার এক প্রজন্ম ফুটবলে এসেছে ডিয়েগো ম্যারাডোনাকে আদর্শ মেনে। এখনকার প্রজন্ম অনুসরণ করে মেসিকে। পাওলো দিবালা তাদেরই একজন। লিওনেল মেসিই তার কাছে ‘ম্যারাডোনা’।
বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগের গ্রুপ পর্বে জুভেন্টাসের মাঠে আতিথ্য নেবে বার্সেলোনা। চলতি প্রতিযোগিতার প্রথম দেখায় মেসির জোড়া গোলে ৩-০ তে বিধ্বস্ত হয় জুভরা। সিরি আ’তে ধুঁকতে থাকা দলটির সামনে সুযোগ প্রথম হারের প্রতিশোধ নিয়ে হারানো মনোবল ফিরে পাওয়া।
কিন্তু ফুটবল ফ্রান্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেই ম্যাচ নিয়ে পারতপক্ষে কোনো কথাই বললেন না দিবালা। সাক্ষাৎকারে দলের জন্য মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে জাতীয় দল অধিনায়ককে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন তিনি।
‘আমি ব্যক্তিগতভাবে রোনালদিনহোর ভক্ত। কিন্তু লিও মেসি আমাদের প্রজন্মের ম্যারাডোনা। আমার জন্য এ বড় সম্মানের যে আমি তার পাশে থেকে খেলতে পেরেছি।’
প্রায় একাই লড়াই করে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপের মূল পর্বে নিয়ে গেছেন মেসি। ইকুয়েডরের বিপক্ষে বাছাই পর্বের মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে করেন হ্যাটট্রিক। দিবালার কথায় উঠে এল সেই ম্যাচের প্রসঙ্গও, ‘ইকুয়েডরের বিপক্ষে অসাধারণ এক হ্যাটট্রিকে আমাদের বিশ্বকাপে নিয়ে গেছেন মেসি। তিনি একজন প্রকৃত অধিনায়ক।’
শেষ দশ বছরে বর্ষসেরা ফুটবলারের প্রায় সব ট্রফি নিজেদের মধ্যে ভাগাভাগি করেছেন মেসি-রোনালদো। এ দুই ফুটবলারের পর ভবিষ্যতের তারকা ভাবা হচ্ছে নেইমার ও দিবালাকে। নিজের ভবিষ্যৎ প্রতিদ্বন্দ্বীকে প্রশংসা করতে বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করেননি আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড। নেইমারকে মেসি-রোনালদোদের সমপর্যায়ের বলছেন জুভেন্টাস ফরোয়ার্ড। সেই সঙ্গে এও বললেন, ভবিষ্যতে তারা একসঙ্গে খেলতে চান।
‘‘ভবিষ্যতে আমি নেইমারের সঙ্গে এক দলে খেলতে চাই। কারণ বর্তমান সময়ে একমাত্র সে-ই মেসি কিংবা রোনালদোকে টপকে ব্যালন ডি’অর জিততে পারে। বন্ধুরাও খুব করে চায় যেন আমার নামের পাশে ব্যালন ডি’অর লেখা থাকে।’’







