ইনিংসের প্রথম ওভারে নাসির হোসেন যে ‘ভুল’ করেছিলেন, তার দায় মেটালেন ২৯তম ওভারে। ব্রেক-থ্রু এনে দিয়ে দলকে কিছুটা স্বস্তি এনে দিয়েছেন।
ইনিংসের চতুর্থ ডেলিভারিতে লেগস্টাম্পের বলে সামনের পায়ে ফ্লিক করেন ল্যাথাম। বল চলে যায় শর্টস্কয়ার লেগে। ওখানে ছিলেন নাসির। হাত ফসকে বল পড়ে মাটিতে! মাশরাফি তখন কিছুটা বিরক্ত হয়েছিলেন।
নাসির ১৩৩ রানের জুটি ভাঙেন ওই মাশরাফিকে ব্যবহার করেই। ব্রুম (৬৩) তাকে সুইপ করতে যেয়ে শর্টস্কয়ার লেগে মাশরাফির হাতে ধরা পড়েন। ঠিক এই জায়গায় মাশরাফির ওভারে নাসির ক্যাচ ছেড়েছিলেন।
নাসির নিজের পরের ওভারে প্রথম বলে আবার উইকেট পান। যে ল্যাথামকে জীবন দিয়েছিলেন, সেই ল্যাথামকে (৮৪) বোল্ড করেন।
চতুর্থ ওভারে দলকে প্রথম সাফল্য এনে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। গুড লেন্থের বল উড়িয়ে মারতে যেয়ে বল আকাশে তুলে দেন রঞ্চি। এক্সট্রা কাভারে বলের ওপর চোখ রেখে তালুবন্দি করেন সাকিব।
ডাবলিনের ক্লনটার্ফে গত ম্যাচের একাদশ থেকে একটি পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে টাইগাররা। অলরাউন্ডার নাসির একাদশে ঢোকায় বাদ পড়েছেন স্পিনার সাঞ্জামুল ইসলাম।
নাসির সবশেষ ওয়ানডে খেলেন গত বছর অক্টোবরে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে ১০ বল খেলে ৪ রান করেছিলেন।
ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে ভালো করে তিনি জাতীয় দলে ফিরেছেন। এপ্রিলে মোহামেডানের বিপক্ষে শতক হাঁকিয়েছিলেন। তার আগে মার্চে অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে ইমার্জিং কাপে নেপালের বিপক্ষে ১০৯ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন।







