দশ বছর পর ‘পেন্টাগন’ দলে ফিরছেন পুরনো চার সদস্য। তারা হলেন মোর্শেদ খান, শেখ মনিরুল ইসলাম টিপু, আলিফ আলাউদ্দিন ও কাজী ফয়সাল আহমেদ।
আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসে আমেরিকান দূতাবাসের আয়োজনে আমেরিকান স্কুলে পার্ফমেন্সের মাধ্যমে দলে ফিরছেন তারা। এই অনুষ্ঠানে নিজেদের একাধিক বাংলা গানের পাশাপাশি বিভিন্ন ভাষার গান করে পেন্টাগন।
দলের বর্তমান অন্য সদস্যরা হলেন আলী সুমন (ভোকাল ও রিদম গীটার), মিনহাজ আহমেদ মৃদুল (ড্রাম), জামিল হোসেন সাজু(কিবোর্ড) এবং নাফিউস সালাম ইয়ানি(লীড গীটার)। তবে মজার বিষয় হলো, দলটির সর্বকনিষ্ঠ সদস্য ইয়ানি দলটির প্রধান আলী সুমনের সন্তান।
দলে পুরনো চার সদস্যের প্রত্যাবর্তন ও আমেরিকার জাতীয় দিবসে পার্ফমেন্স প্রসঙ্গে আলী সুমন বলেন, এটা পাখির নীড়ে ফেরার মত অনূভূতি। নস্টালজিয়ায় ডুবে যাওয়ার মতো বিষয়। মূলত আলিফের তাগাদাতেই এই প্রত্যাবর্তন পর্ব আরো দ্রুত হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, আমাদের প্রেম এবং প্যাশন সংগীত। নিছক অর্থ উপার্জনের পথ নয়। নিয়মিতভাবে এই লাইন আপে পারফর্ম করার কথাও জানান সুমন।
দলে ফেরা প্রসঙ্গে আলিফ আলাউদ্দিন বলেন, পেন্টাগন আমার নিজের ঘর। এখানে ফিরে আসা বা চলে যাওয়া বলে কিছু নেই। সবসময়ই ছিলাম। কখনো শারীরিক উপস্থিতি ছিলো আবার কখনো বা মানসিক। এখন কেবল গান করতে চাই। শুধু গান করতে চাই।’
‘ওয়ারফেইজ’ খ্যাত টিপু বলেন, মিউজিক মানে সউল ট্র্যাভেল। সৃজন। কিছু মান টুকরো অভিমান। চলে যাওয়া আবার প্রত্যাবর্তন।’
১৯৯৩ সালের ১৩ অক্টোবর পাঁচ সদস্য মিলে তৈরী করেন পেন্টাগন। সদস্যরা হলেন আলী সুমন (ভোকাল ও রিদম গীটার), শওকত আলী ইমন (কিবোর্ড), রঞ্জন (ড্রামস ও ভোকাল), মশিউর রহমান শেলী (গীটার) এবং জাভেদ আহমেদ বাবু (বেইজ গীটার। ১৯৯৭ সালে দল ছাড়েন ইমন। তারপর কিবোর্ডে দলে আসেন আনান এবং টিপু (পারকাসন)।
বনানীর সাংগ্রিলাতে প্রথম শো করে দলটি। শুরুতে তারা বাংলা ইংরেজি, ল্যাটিন/স্প্যানিশ, আরবি, জ্যামাইকান এবং পর্তুগিজ গানের কাভার সং করত। ২০০২ সালে একতার মিউজিক থেকে বের হয় দলটির প্রথম অ্যালবাম ‘সেই আমি’।
এরপর দল ছাড়েন আনান, টিপু, মাহবুব, বাবু এবং শেলী। এরপর থেকে যাওয়া আসার মধ্যে ছিলেন মোরশেদ, জীবন অনিতা, রাজন, মাসুম ফয়সাল, আলিফ, অমি, মেহেদী, শামীম এবং তাহসীর। ২০০৯ সালে প্রকাশ হয় দলটির সর্বশেষ অ্যালবাম ‘এইট ও ক্লক’ জি সিরিজের ব্যানারে।







