দশ বছর ধরে দায়রা আদালতে বিচারাধীন ফৌজদারি মামলাগুলো আগামী ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে ৩০ দিনের মধ্যে এসব মামলার তালিকা করে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের কাছে জামা দিতে দায়রা জজদের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ডাকাতির মামলার এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আদালতে আসামি শরিফুলের জামিন আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী এটিএম মিজানুর রহমান। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ফরহাদ আহমেদ ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ইউসুফ মাহমুদ মোর্শেদ।
ঘটনার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০০৭ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাতে গ্রিনলাইনের একটি যাত্রাবাহী বাস নরসিংদীর সোনাইমুড়ি পাহাড়ের কাছে আসলে যাত্রীবেশী ৬/৭ জন ডাকাত গাড়ির চালক, সহকারী ও সুপারভাইজরকে বেঁধে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয়। পরে অস্ত্র ঠেকিয়ে যাত্রীদের মালামাল লুট করে নেমে যায়।
ওই ঘটনায় বাসের যাত্রী নাজুমুল হোসেন ফয়সাল পরদিন ২৭ ফেব্রুয়ারি রায়পুরা থানায় একটি মামলা করেন। এরপর ভৈরবের মানিকদির নয়াহাটি থেকে আসামি শরিফুলকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নিম্ন আদালত থেকে শরিফুলের জামিন পান। কিন্তু জামিনের অপব্যবহারের অভিযোগে নরসিংদীর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালত গত বছরের ১৩ মার্চ শরিফুলের জামিন বাতিল করেন। পরে শরিফুলকে আবার গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
এরপর নরসিংদীর অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে জামিন আবেদন করলে তা নামঞ্জুর করেন আদালত। এরপর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন শরিফুল। সে আবেদনের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট আজ তাকে চার মাসের অন্তর্বর্তী জামিন দেন।
এবং এই জামিন আবেদনের শুনানির সময় হাইকোর্ট ১০ বছর ধরে দায়রা আদালতে বিচারাধীন ফৌজদারি মামলাগুলো ৬ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।







