চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি

  • নির্বাচন ২০২৬
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

দক্ষিণ বাংলার ঐতিহ্যবাহী গুড়পুকুর মেলা

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
১০:১৮ অপরাহ্ন ২৬, সেপ্টেম্বর ২০১৮
লাইফস্টাইল
A A

পল্টু বাসার:

লৌকিক আচার-আচরণ, বিশ্বাস আর পৌরাণিকতায় সমৃদ্ধ সাতক্ষীরা জেলা। নানা কিংবদন্তীর প্রবহমান ধারায় সজীব এখানকার ঐতিহ্য। বঙ্গোপসাগরের আঁচল ছোঁয়া সুন্দরবন, আর সুন্দরবনকে বুকে নিয়ে সমৃদ্ধ এখানকার প্রকৃতি, এমনকি অর্থনীতিও।

সুন্দরবনের চোখ জুড়ানো চিত্রল হরিণ, বিশ্ববিখ্যাত ডোরাকাটা বাঘ, কুমির থেকে শুরু করে বনবিবি-বনদেবীর লোকগাথা, ভূঁইয়া রাজা প্রতাপাদিত্যের স্মৃতিবহতা, মোঘলীয় বিভিন্ন স্থাপত্যকীর্তি, অসংখ্য প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, পুরাকালের কাহিনী, জারী-সারী, পালাগান, পালকির গান, এ সবের মধ্যেই সাতক্ষীরার মানুষের আত্মিক পরিচয় গ্রন্থিত। এখানে জন্মেছেন কবি-সাহিত্যিক, শিল্পী, সুফী-দরবেশসহ বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব, জন্মেছেন জীবন সংগ্রামে উদ্বুদ্ধ সাহসী মানুষ। শোষণ-নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রতিবাদমুখর আত্মত্যাগী বীর।

গ্রামবাংলার লোকজ ঐতিহ্যই এখনও পর্যন্ত সাতক্ষীরার সংস্কৃতির মূলধারাটি বহন করে চলেছে। খুব সহজেই এখানে মিলিত হয়েছে লৌকিক আচার-আচরণের সাথে পৌরাণিকত্বের। যেন দুটো নদীর সম্মিলিত এক বেগবান ধারা। বছরের বিভিন্ন সময়ে এখানে বসে অগণিত মেলা। সাগরদ্বীপ দুবলার মেলা থেকে শুরু করে খুলনা, যশোর এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও এর প্রভাব পরিলক্ষিত। এ জেলার শুধু নয় দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় মেলাটি বসে সাতক্ষীরা শহরেই, পলাশপোল গ্রামে, গুড়পুকুরের পাড়ে।

গুড়পুকুরের নামানুসারেই মেলার নামকরণ করা হয়েছে গুড়পুকুরের মেলা। মেলাটির বয়স নিয়ে এখনও দ্বিমত-দ্বিধা রয়েছে। জানা যায়নি এর সঠিক বয়স। মেলা নিয়ে অতীতে তেমন লেখা-লেখিও হয়নি। কয়েকজন প্রবীণ মানুষের সাথে সাক্ষাৎকার গ্রহণ করে যা জানা যায় তার ভিত্তিতে এখানে কিছু তথ্য উপস্থাপন করা হল। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করা হয়েছিল ১৯৮৭ খ্রিস্টাব্দে।

Reneta

মেলার উৎপত্তি নিয়ে আব্দুস সোবহান খান চৌধুরীর বক্তব্য এরকম-‘অনেক পথ হেঁটেছেন, ক্লান্তিতে আর পা চলতে চায় না। শেষ ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে মিইয়ে এসেছে সমস্ত শরীর। ওই যে গৌরদের পুকুর পাড়ের বুড়ো বটগাছটা। ওর ছায়ায় একটু জিরিয়ে নেয়া যাক। বটের ছায়ায় বসতে না বসতেই ঘুম এসে যায় ফাজেলের, শেকড়ে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়ে সে। গাছতলার ঘুম, গাছতলার রোদের মতই ছেঁড়া-ফাটা নড়বড়ে। বটের পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের তীব্র রশ্মি এসে পড়লো ফাজেলের মুখে। ঘুম ভেঙে যেতে লাগল, অস্বস্তিবোধ করল সে। মগডালে বসে ছিল এক পদ্মগোখরো। সে ফাজেলকে লক্ষ করল এবং মগডাল থেকে নেমে এলো নিচে। যে পাতার ফাঁক দিয়ে সূর্যের রশ্মি পড়ছে ফাজেলের মুখে ঠিক সেখানে। ফণা তুলে দাঁড়াল সাপটা। ফণার ছায়া এসে পড়ল ফাজেলের মুখে। আরাম পেয়ে আবারো ঘুমিয়ে পড়ল সে। কিছুক্ষণ ঘুমিয়ে থাকার পর আবার ঘুম ভেঙে গেল। এর মধ্যে ক্লান্তি অনেকটা দূর হয়ে গেছে তার। বটের পাতায় পাতায় দৃষ্টি ঘোরাতে লাগল ফাজেল। হঠাৎ চোখে পড়ল সেই সাপটা। তখনও সে ফণা তুলে সূর্যকে আড়াল করে রেখেছে। এবার ফণাটা একটু দুলে উঠল। দুলে উঠল গাছের পাতারা। ফণা নামিয়ে সাপটা হারিয়ে গেল ডালে ডালে। আবার সূর্য রশ্মি এসে পড়ল ফাজেলের মুখে। তখন তার চোখে ঘুমের রেশ মাত্র নেই।শরীরে নেই একরত্তি ক্লান্তি। ফাজেল বটতলা ত্যাগ করল এবং এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের ডেকে বলল, এখানে তোমরা মনসা পূজা কর’।
সেদিন ছিল ভাদ্র মাসের ৩১ তারিখ। বাংলা ১২ শতকের গোড়ার দিকের কোন এক বছর। তখন থেকে পলাশপোল গ্রামের গুড়পুকুরের দক্ষিণ পাড়ের বটতলায় শুরু হয় মনসা পূজা। আর পূজা উপলক্ষে মেলা। বর্তমানে এখানে মনসা পূজার সাথে বিশ্বকর্মা পূজাও অনুষ্ঠিত হয়।

আব্দুস সোবহান খান চৌধুরীর পূর্ব পুরুষ হল ফাজেল খান চৌধুরী। সে আরও অনেক দিন আগের কথা। তখন বাংলাদেশে সুলতানি শাসন চলছে। বাংলার সমাজ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, অর্থনীতি ও রাজনীতিতে নতুন ধারার সূত্রপাত হয়েছে। বৌদ্ধ ও হিন্দুর পর ক্রমশ: বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে মুসলিম সংস্কৃতির প্রভাব। মুসলমান সমর নায়ক ও সৈনিকদের সাথে সাথে এ দেশে প্রবেশ করতে থাকে সাধারণ কর্মচারী, ব্যবসায়ী, ভাগ্যান্বেষী, সুফি-দরবেশরা। সুফি-দরবেশরা এ দেশে এসে ধর্ম প্রচারে আত্মনিয়োগ করেন। সে সময় আরো অনেকের মতই আসেন বাগেরহাটের খানজাহান আলী। বাংলা নবম শতকে তিনি বাগেরহাটে ষাট গম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন। যা প্রাক-মুঘল যুগের স্থাপত্য শিল্পের এক অতুলনীয় নিদর্শন হিসেবে আজও বিদ্যমান।খানজাহান আলী যখন ষাটগম্বুজ মসজিদে অবস্থান নিয়ে ধর্ম প্রচার করতে থাকেন তখন তাঁর দু’জন ব্রাহ্মণ খাজাঞ্চি ছিল। একজনের নাম কামদেব রায় চৌধুরী, জয়দেব রায় চৌধুরী অন্যজন। একদিন খানজাহান আলী রোজা রাখা অবস্থায় একটা কমলা লেবুর ঘ্রাণ নিচ্ছিলেন, তখন ব্রাহ্মণদ্বয় বললেন- হুজুর, আপনিতো আজ রোজা আছেন। এ অবস্থায় কমলার ঘ্রাণ নিলেন, ঘ্রাণে অর্ধভোজন নয় কি? খানজাহান আলী মৃদু হাসলেন। বললেন, তোমাদের সন্দেহ সঠিক। আমার রোজার আংশিক ক্ষতি হয়েছে।

অন্য আর একদিন। খানজাহান আলী নিজেই রান্না করছিলেন। ব্রাহ্মণদ্বয় সেখানে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে পড়লেন। তারা বললেন, হুজুর আপনি নিশ্চয় মাংস রান্না করছেন, বড়ই সুঘ্রাণ পাওয়া যাচ্ছে। খানজাহান আলী আবারো মৃদু হাসলেন এবং বললেন, ব্রাহ্মণ মশাইরা তোমরা তো গরুর গোস্তের ঘ্রাণ নিয়ে ফেলেছো। এখন ব্রাহ্মণত্বের কি হবে? কামদেব আর জয়দেব চিন্তায় পড়লেন এবং কয়েকদিন পর খানজাহান আলীর কাছে তারা ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলেন।

কামদেবের নাম হল কামালউদ্দিন খান চৌধুরী আর জয়দেবের নাম হল জামালউদ্দিন খান চৌধুরী। উল্লেখ্য যে, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘সেই সময়’ উপন্যাসে এই কামদেব ও জয়দেবের কামালউদ্দিন আর জামালউদ্দিন হয়ে যাওয়ার বিষয়টি আছে। এ দু’জনের মধ্যে কোনো একজনের পরবর্তী বংশধর বুড়া খাঁ। বুড়া খাঁ বাগেরহাট থেকে চলে এসে সাতক্ষীরার প্রাণকেন্দ্রের পলাশপোল গ্রামে বাড়ি ঘর তৈরি করে বসতি স্থাপন করেন। গড়ে তোলেন পলাশপোল চৌধুরী বাড়ি। চৌধুরী বাড়ির পূর্বপাশের একটা দরগা তৈরি করে সেখানে ধর্ম সাধনা করতে থাকেন। দরগাটি বিরাট এক বটগাছ কাঁধে নিয়ে এখনও টিকে আছে। বুড়া খাঁ তার বংশধরদের রেখে যান পলাশপোল চৌধুরী বাড়িতে। চৌধুরী বাড়ির অধীনে তখন পলাশপোল মৌজার বৃহৎ এলাকা। এলাকাবাসী খাজনা দিতো চৌধুরীদের। বর্তমানে সাতক্ষীরা পৌরসভার সবচেয়ে বড় মৌজা পলাশপোল।

সেই বাংলা ১২ শতকের কোনো এক সময় বুড়া খাঁর বংশধর ফাজেল খান চৌধুরী পলাশপোল এলাকায় খাজনা আদায় করে ফিরছিলেন। সেদিন ছিল ভাদ্র মাসের ৩১ তারিখ। ক্লান্ত ফাজেল খাঁ গুড়পুকুরের দক্ষিণ পাড়ের বটের ছায়ায় বসেন। তখন উপরোক্ত ঘটনাটি ঘটে।

মেলার নাম গুড়পুকুর আর পুকুরের নাম গুড়। এই নামের জট এখনও খোলেনি। রয়েছে নানান কিংবদন্তি। কিভাবে হলো এ নামকরণ-কেউ বলেন, মনসা পূজার সময় পুকুরে বাতাসা ফেলা হতো। ওই বাতাসার জন্য পুকুরের পানি মিষ্টি লাগত। তখন থেকেই গুড়পুকুর। অনেকের ধারনা -পুকুরে পানি বেশি দিন থাকত না। স্বপ্ন দর্শনে জানা গেল একশ’ ভাড় গুড় পুকুরে ঢালতে পারলে তবে পানি উঠবে, সে পানি আর শুকাবে না। স্বপ্নের নির্দেশ মত কাজ করা হল। সেই যে পুকুরে পানি এলো আর শুকালো না। আবার শোনা যায়- পুকুরের তলদেশ থেকে এক সময় মিষ্টি পানি উঠত, তাই এর নাম গুড়পুকুর। একজন বললেন, পুকুরের জায়গাতে অসংখ্য খেজুর গাছ ছিল এবং তাতে প্রচুর রস হত। একবার ঐ গাছের সমস্ত রস দিয়ে গুড় বানিয়ে তা বিক্রি করা হল এবং ঐ গুড় বিক্রির টাকা দিয়ে খেজুর গাছের স্থানে পুকুরটি খনন করা হলো। তখন থেকে গুড়পুকুর।

আব্দুস সোবহান খান চৌধুরীর মতে আসলে ও সব কিছু নয়। চৌধুরী পাড়ার রায় চৌধুরীরা ছিল গৌর বর্ণের ব্রাহ্মণ। তাই তাদের পুকুরকে বলা হত গৌরদের পুকুর। যা কালক্রমে হয়েছে গুড়পুকুর। পুকুর সংলগ্ন বসবাসকারী নিতাই কর্মকারও সোবহান খান চৌধুরীর বিবরণের সাথে একমত পোষণ করেন।
সেদিনের গুড়পুকুরের মেলা এক সময় অনেক বড় হয়ে উঠেছিল। মেলানুষ্ঠানের পাঁচ-ছয় মাস আগে থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের জেলাগুলোতে সাজ সাজ রব পড়ে যেত। বিশেষ করে খুলনা, যশোর, সাতক্ষীরার কলম-চারা ব্যবসায়ী, কাঠমিস্ত্রি এবং ফার্নিচারের কারখানাগুলোতে কাজের তোড়ে ঘুম বিদায় নিয়েছিল। এমনকি পশ্চিমবঙ্গেও এর প্রভাব পড়ত। ঢাকা, ফরিদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে আসত স্টেশনারি দোকানদাররা। মূল মেলা ৩১ শে ভাদ্র হলেও ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি থেকে শুরু হয়ে আশ্বিন মাসের শেষাবধি পর্যন্ত চলত।

লাখ মানুষের সমাগমে ভরপুর হয়ে উঠত এর অঙ্গন। গাছের চারা, কলম, ফার্নিচার ছাড়াও শিশুদের বিভিন্ন খেলনা, আখ, বাতাবি লেবু, ঝুড়ি, ধামা, কুলা, টুকরি, বাটি, দেলকো, শাবল, খোন্তা, দা, ছুরি, কোদাল, প্রভৃতি বিক্রি হত। কাঠ ও বাঁশের তৈরি বিভিন্ন জিনিসপত্র ছাড়াও বেত ও মাটির তৈরি নিত্য ব্যবহার্য জিনিসপত্র, ঢোল, সুলভে পাওয়া যেত। মেলাতে এসে বাতাবি লেবু আর ইলিশ মাছ না কিনে কেউ বাড়ি ফিরতো না। সার্কাস, পুতুল নাচ, যাত্রা, মটর সাইকেল, বাই-সাইকেল, মৃত্যুকুপ, চরকি, নাগরদোলা, মিষ্টিপান, মেলার প্রধান আকর্ষণ ছিল। সার্কাস পার্টি দল বড় বড় নৌকায় করে এসে পাণসায়রে চৌধুরী বাড়ির ঘাটে নোঙর করত। মেলার অন্যতম আকর্ষণ ছিল মিষ্টির দোকান। গজাসহ নানান ধরণের মিষ্টি, জিলাপি, চানাচুর ভাজা, ঝুরি ভাজা, কদমা, পাঁপড় ভাজা, শনপাপড়ি প্রভৃতির বড় বড় দোকান বসতো।
খুলনা রোড থেকে তুফান কোম্পানির মোড় আর নিউ মার্কেট থেকে শহীদ রাজ্জাক পার্ক পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল মেলা। বিচ্ছিন্নভাবে কদমতলা, মাধবকাটি আর আলীপুর পর্যন্ত গুড়পুকুরের মেলা বসত। তবে পলাশপোলের গুড়পুকুরের পাড়েই এর প্রধান আকর্ষণ। যেখানে দোকান বসত সে জায়গার মালিককে কিছু ভাড়া দিতে হত। এক সময় চাঁদাবাজদের অত্যাচারে অনেক ব্যবসায়ীই মেলা ছেড়ে চলে যেতে শুরু করলো।

২০০২ সালে সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে মেলা উপলক্ষে চলমান সার্কাসের ওপর বোমা হামলা হলে মেলাটি বন্ধ হয়ে যায়। ২০১০ সালে জেলা প্রশাসক জনাব মো. আবদুস সামাদ এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ঐতিহ্যবাহী মেলাটি আবারো শুরু হয়। তবে সেই জৌলুস আর ফিরে আসেনি। বর্তমানে মেলাটির অবস্থান স্থানান্তর করে শহীদ রাজ্জাক পার্ক করা হয়েছে। তবুও দিন দিন এর লোকজ আবহ হারাচ্ছে। মেলাটির ব্যবস্থাপনা করে থাকে জেলা প্রশাসন আর সাতক্ষীরা পৌরসভা যৌথ উদ্যোগে।

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: সাতক্ষীরা
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

বাংলাদেশকে ‘ভিন্ন নজরে’ দেখতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

ভাঙ্গায় সড়কের পাশ থেকে আওয়ামী লীগ নেত্রীর লাশ উদ্ধার

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শেষ করল আফগানিস্তান

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

ফিল্ম এন্ড টেলিভিশনে পোস্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমায় শিক্ষার্থীদের ফেলোশিপ দেবে ফজলুল হক ইনিশিয়েটিভ

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর প্রেসসচিব হলেন সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন

ফেব্রুয়ারি ১৯, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: মীর মাসরুর জামান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT