মুমিনুল হক ছাড়া কেউই খেলতে পারেননি বড় ইনিংস। একঝাঁক ব্যাটার থিতু হয়ে আশা জাগিয়েও নিরাশ করেছেন। মূল ব্যাটারদের নামের পাশে ১৫, ১৬, ২৪, ২৫, ২৬ রানের স্কোর হতাশায় পুড়িয়েছে জেমি সিডন্সকে।
মিরপুর টেস্টের প্রথম দিনের খেলা শেষে আক্ষেপের কথা অবলীলায় বললেন টাইগার ব্যাটিং কোচ, ‘এটা খুব হতাশার। আমরা কঠোর পরিশ্রম করি। আমরা সবসময় তাদের বলি থিতু হলে টিকে থাকতে হবে। এটা নিশ্চিত করতে হবে যে ভালো শুরু পেলে বড় স্কোর করা। চট্টগ্রামের মতোই হলো, তিন-চার ব্যাটার বিশ রানের গণ্ডি পেরিয়ে আউট। বাকিদের মধ্যে ১৫, ১৬ রানে আউট হওয়ার ঘটনাও আছে। মুমিনুল ছাড়া কেউই কাজটা দলের পক্ষে নিতে পারেনি।’
‘আমরা ম্যাচ জেতার মতো স্কোর করতে পারছি না। সেট হওয়ার পর তারা মানসিক বিপর্যয়ে পড়ছে। উইকেটে স্পিন ধরছিল তবে পেসাররা সুবিধা পাচ্ছিল না। সেখানে উমেশ যাদবের চার উইকেট পাওয়া হতাশার।’
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে ভারতের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে টস জিতে ব্যাট করা বাংলাদেশ ১৪ রানে শেষ ৫ উইকেট হারিয়ে আড়াইশর আগেই অলআউট হয়। লড়াকু সংগ্রহের আশা জেগেছিল মুমিনুল হকের ব্যাটে। এ বাঁহাতি ব্যক্তিগত ৮৪ রানে আউট হন নবম ব্যাটার হিসেবে। পরের বলেই খালেদ আহমেদ মিড উইকেটে ক্যাচ তুলে দেন। ২২৭ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের প্রথম ইনিংস।
জবাবে প্রথম দিন শেষে ভারতের সংগ্রহ কোনো উইকেট না হারিয়ে ১৯ রান। শুভমন গিল ১৪ ও লোকেম রাহুল ৩ রানে অপরাজিত আছেন। সফকারীরা ১০ উইকেট হাতে রেখে পিছিয়ে ২০৮ রানে।
বাংলাদেশের ষষ্ঠ উইকেট পড়ে ২১৩ রানে। শেষ ৫ উইকেটে যোগ হয় মাত্র ১৪ রান। ৭৩.৫ ওভার দীর্ঘ হয় বাংলাদেশের ইনিংস।
উমেশ যাদব ও রভিচন্দ্রন অশ্বিন নেন চারটি করে উইকেট। ১২ বছর পর টেস্ট খেলার সুযোগ পাওয়া জয়দেব উনাদকাট নেন দুটি উইকেট।







