থার্টিফার্স্ট নাইটে রাজধানীর উন্মুক্ত স্থানে কোনো অনুষ্ঠান করতে দেবে না পুলিশ। মঙ্গলবার থেকে শুরু হবে মাদকবিরোধী ৩ দিনের বিশেষ অভিযান। ঢাকার পুলিশ কমিশনার বলেছেন, সুনির্দিষ্ট কোনো হুমকি না থাকলেও সর্বোচ্চ সতর্ক থাকবে পুলিশ এবং র্যাব।
থার্টি ফাষ্ট নাইটে যে কোনো ধরনের নাশকতা ঠেকাতে কড়া নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা থাকবে রাজধানী। সাদা পোশাকে নজরদারী বাড়াবে গোয়েন্দারা। সন্ধ্যা ৬টার পর সিল করে দেওয়া হবে হাতিরঝিল এলাকা।
গুলশান, বনানী, বারিধারা ও টিএসসি এলাকার নাগরিকদের রাত ৮টা মধ্যে বাসায় ফেরার পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকার পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া। চেকপোষ্ট বসিয়ে এসব এলাকায় নিয়ন্ত্রণ করা হবে যানবাহন চলাচল।
ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে এক ব্রিফিং সন্ত্রাসী হুমকি ও নাশকতা নিয়েও কথা বলেন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে পরদিন ভোর ৫টা পর্যন্ত সব ধরনের লাইসেন্স করা আগ্নেয়াস্ত্র বহন নিষিদ্ধ থাকবে।
পুলিশ জানিয়েছে, নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে গিয়ে কোথাও আতশবাজি বা পটকা ফোটানো যাবে না। উন্মুক্ত স্থানে নাচ-গান- আনন্দ করাও মানা।
পুলিশ কমিশনার জানান, মাদকের বিষয়েও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কড়া নজরদারি থাকবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বসবে চেকপোস্ট, চলবে টহল।
গত বেশ কবছর ধরেইে থার্টিফার্স্ট নাইটে এই ধরনের কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় পুলিশ। সাম্প্রতিককালে বিভিন্ন উৎসব ও ধর্মীয় সমাবেশে হামলাকে মাথায় রেখে ভিন্নভাবে সাজানো হয়েছে রাজধানীর নিরাপত্তা পারিকল্পনা।







