তুরস্কের সাধারণ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জাস্টিস এন্ড ডেভেলপমেন্ট পার্টি একেপি পুনরায় একক সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছে। মোট ভোটের ৪৯ দশমিক ৪ শতাংশ একেপির বাক্সে গেছে। প্রধান বিরোধী দল সিএইচপি পেয়েছে ২৫ শতাংশের কিছু বেশি ভোট। প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভোতগলু বলেছেন এই জয় গণতন্ত্রের ও তুরস্কের সাধারণ মানুষের।
নিরাপত্তা ব্যবস্থার অবনতি, অর্থনীতির দুরবস্থা ও গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে এবার ভোট দেয় তুরস্কের ভোটাররা। কুর্দি জঙ্গিরা বারবার হামলা করেছে দেশটিতে। গত কয়েক মাসে দুই দফায় হামলায় ১শ ৩০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয় দেশিিটতে। আইএস বা তাদের সমমনাদের ঐ হামলার জন্য দায়ী করা হয়। তুরস্কের পশ্চিমা মিত্ররা আশা করছে এই নির্বাচনের মাধ্যমে তুরস্কের স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে। সেই সঙ্গে অভিবাসী সমস্যা মোকাবেলায় আরো কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
গত জুনে নির্বাচনে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল একেপি একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। তখন একটি জোট সরকারও গঠন করতে ব্যর্থ হয় তারা। কিন্তু মাত্র ৫ মাসের মাথায়ই বাজিমাত করেছে প্রেসিডেন্ট রেসেপ তাইয়েপ এরদোগানের দল একেপি।
পার্লামেন্টের ৫৫০ আসনের মধ্যে তারা ৩১৫টি পেয়েছে। কুর্দিপন্থী এইচডিপি ও জাতীয়তাবাদী এমএইচপিও ১০ শতাংশের উপরে আসন পেয়েছে। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার খবরে একেপি সমর্থকরা উল্লাস করে বিভিন্ন স্থানে।







