দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়া, আইলা এবং সিডরের পর লবণ পানির আগ্রাসন এবং অতিরিক্ত ভূ-গর্ভস্থ পানি উত্তোলন; সব মিলিয়ে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিল ডাকাতিয়ার তিন ফসলী জমি এখন এক ফসলীতে পরিণত হয়েছে।
তবে দ্রুতই খাল খননের মাধ্যমে বিলে পানি ধরে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি।
প্রায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমির বিল ডাকাতিয়ায় ৮০’র দশকেও ফসল হতো তিনটি।
৯০ দশকের শুরুর দিকে বিলটি জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে। ওই দশকের শেষ দিকে বিলটি জলাবদ্ধতা থেকে মুক্ত হলেও আসেনি সেই আগের রূপ।
হোয়াইট গোল্ড খ্যাত গলদা চিংড়ির ঘের মূলত এ বিলেই সব চেয়ে বেশি। আর সে কারণেই পানির স্রোত চলাচলে বাধায় শুস্ক মৌসুমে বিলের কোনো খালেই পানি থাকে না।
বিষয়টি নিয়ে এরই মধ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে জানিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বলেছেন, আগামী বছরের মধ্যেই খাল খননের মাধ্যমে বিলের পানি সংকট দূর করা হবে।
ফুলতলা উপজেলা চেয়ারম্যান আকরাম হোসেন বলেন, আমরা চেষ্টা খাল খননের মাধ্যমে আগামী মৌসুমের মধ্যেই এই অঞ্চলের পানি সংকট দূর করা সম্ভব হবে। এতে করে কৃষিতে গতি ।
বিল ডাকাতিয়ার সবগুলো খাল খনন হলে কৃষিনির্ভর ফুলতলা এবং ডুমুরিয়ার জনজীবনে বইবে সুখের সুবাতাস। এমনটাই প্রত্যাশা এলাকাবাসীর।






