মঞ্চ থেকে উপস্থাপিকা অতিথিদের নাম ঘোষণা করছেন। যে যার মতো আসন গ্রহণে ব্যস্ত। মেসি, রোনালদো আর বুফনের জন্য সামনের সারিতে বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তিনজনই আসলেন। মেসি ও রোনালদো পরে দুদিকে ভাগ হয়ে গেলেন! বাধ্য হয়ে মাঝখানে বসতে হল বুফনকে! উয়েফার বর্ষসেরা পুরষ্কার আর চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমের ‘ড্র’ অনুষ্ঠানের দৃশ্য এটি।
লিওনেল মেসি, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর সম্পর্ক ‘খুব খারাপ’, এমন কথা কখনও শোনা যায়নি। তবে সম্পর্ক যে ‘খুব গভীর’ সেটাও শোনা যায়নি। সব সময় দুই মহাতারকা দূরত্ব বজায় রেখে চলেন। বৃহস্পতিবার রাতেও মোনাকোতে তার ব্যতিক্রম হল না।
এদিন শুরুতে বর্ষসেরা গোলরক্ষক হিসেবে বুফনের নাম ঘোষণা করা হয়। এরপর ‘ড্র’য়ের মাঝে মাঝে বর্ষসেরাদের নাম ঘোষণা চলে। সেরা ফরোয়ার্ডের পুরস্কার নিয়ে রোনালদো নিজের আসনে চলে যান। একটু পর উপস্থাপিকা মেসির কাছে যান। স্প্যানিশ ভাষায় কিছু একটা জানতে চান। মেসির কথা শুনে বুফনকে হাসতে দেখা গেলেও রোনালদো ছিলেন নির্লিপ্ত!

আবার রোনালদোর কথায় বুফন মাথা নেড়ে সায় দিলেও মেসি ঠায় মঞ্চের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। ব্যাপারটা এমন- বুফন ও রোনালদো যখন হাসছেন, মেসি তখন আনমনা। আবার মেসি ও বুফন যখন হাসছেন, তখন অন্যদিকে তাকিয়ে রোনালদো। পুরোটা সময়ই এই দৃশ্য চোখে পড়েছে!
মেসির জন্য অনুষ্ঠানটা মোটেও সুখকর হয়নি। সেরা ফরোয়ার্ড, সেরা খেলোয়াড় দুটো পুরস্কারই তিনি রোনালদোকে পেতে দেখেছেন। রোনালদো মঞ্চে উঠে খুব একটা উল্লাস করেননি। জাতীয় দলের সতীর্থদের বেশি কৃতিত্ব দিয়েছেন। অকপটে স্বীকার করেছেন, তারা না থাকলে এই মঞ্চে তিনি উঠতে পারতেন না। আর রিয়ালের হয়ে খেলতে পারাকে বলেছেন বিশেষ কিছু। ট্রফির দিকে তাকাতে তাকাতে নিজেকে ‘সৌভাগ্যবান’ও বলে গেছেন।







