তামিম ইকবালের হার না মানা ৮৩ রানের ওপর ভর করে নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ১৫৪ রানের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছে বাংলাদেশ।
শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নেদারল্যান্ডেসের সংগ্রহ ১৭ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে ১১৫ রান।
২ রান বাদেই ফিরে গেছেন ভ্যান ডার মারউই। মাশরাফির বলে তিনি উইকেটের পেছনে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন। তার বিদায়ে এখন ক্রিজে আছেন টম কুপার এবং পিটার সিলার।
বেন কুপারের পর পিটার বোরেনকেও ফেরান সাকিব আল হাসান। সীমানার কাছে কুপারের ক্যাচ নেন নাসির হোসেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১১২।
১২তম ওভারে বেন কুপারকে ফেরান সাকিব আল হাসান। সকিবের বলে তিনি বোল্ড হয়ে প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন।
আল-আমিনের পর টাইগারদের দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। স্টিফেন
মাইবার্গকে সরাসরি বোল্ড করেন তিনি। স্কোর বোর্ডে রান তখন ৫৩।
ওয়েসলি বারেসিকে ফিরিয়ে টািইগারদের প্রথম সাফল্য এনে দেন আল-আমিন হোসেন। ডিপ স্কয়ারে মাইবার্গকে তালুবন্দী করেন আরাফাত সানি।
ব্যাটিং ব্যর্থতার দিনে একমাত্র ব্যতিক্রম ছিলেন তামিম। ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মধ্যে এক প্রান্ত আগলে খেলে তামিম সংগ্রহ করেন ৮৩ রান। তামিম বাদে অন্য কোন ব্যাটসম্যানই ১৫ রানের বেশি করতে পারেননি।
তবে শুরুটা দুর্দান্ত করার ঘোষণা ছিলো তামিম-সৌম্যের ব্যাটে। ওপেনিং জুটিতে ১৮ রান তুলে নেওয়া পার্টনারশিপে ১৫ রানই ছিলো সৌম্যের।
চতুর্থ ওভারের শুরুতেই সৌম্য সরকার পল ভ্যান মেকিরিনের শিকার হলে বিপর্যয়ের শুরু। এরপর দলের সব চেয়ে বড় তামিম-সাব্বিরের ব্যাটে। তাদের জুটি থেকে আসে ৪৮ রান। ভ্যান ডার মারউই’র বলে এলবিডাব্লিউয়ের ফাঁদে পড়ার আগে সাব্বিরের ব্যাট থেকে আসে ১৫ রান।
এরপর মাহমুদউল্লাহ ক্রিজে এলেও এশিয়া কাপের টানা চার ম্যাচ নট আউট থাকার রেকর্ড আর বাড়াতে পারেননি। ১৫তম ওভারে তামিমের সঙ্গে ৩৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ।
তার বিদায়ে মুশফিক,নাসির, মাশরাফি উইকেটে এলেও উইকেটে থিতু হওয়ার আগেই ফিরে যান। শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের ইনিংস থামে ১৫৩ রানে। তামিম ইকবাল ৮৩ রানে।






