সেরা চারের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেছে আগেই। তারপরও বাকি ম্যাচগুলো মূল্যহীন নয়। শীর্ষ দুই নিশ্চিত করার হিসাব-কিতাব কষা হবে বাকি জয়-পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। তেমন লড়াইয়ের ম্যাচে এখন পর্যন্ত শীর্ষে থাকা কুমিল্লাকে ১৭৫ রানের লক্ষ্য দিয়েছে তিনে থাকা খুলনা।
শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে শুরুতে ব্যাট করে নির্ধারিত ওভারে ৬ উইকেটে ১৭৪ রান তুলেছে খুলনা টাইটানস। হোম অব ক্রিকেটের উইকেটে রান উঠছে না বলে অভিযোগ। তামিম তো এমন উইকেটকে জঘন্য বলে মন্তব্য করে বিসিবির কারণ দর্শানোর নোটিশও পেয়েছেন। সেখানেই বড় সংগ্রহের জবাব দিতে হবে তাদের।
মঙ্গলবার নাজমুল হোসেন শান্ত ও মিচেল ক্লিঞ্জারের ব্যাটে দ্রুতগতির ৫৫ রানের শুরু পায় টাইটানসরা। ৬ ওভারের জুটিটি ভাঙে শান্ত বোল্ড হওয়ার মধ্য দিয়ে। ফেরার আগে ৪ চার ও ২ ছয়ে ২১ বলে ৩৭ রানের অবদান রেখে গেছেন তরুণ বাঁহাতি।
ক্লিঞ্জার পরে মাহমুদউল্লাহর সঙ্গে ৩২ রান যোগ করেন। ফিরেছেন একটি করে চার-ছয়ে ২৯ রানে। মাহমুদউল্লাহও বেশিক্ষণ টেকেননি। একটি করে চার-ছয়ে ২৩ বলে ২৩ রানের অবদান তিনে নেমে পড়া অধিনায়কের।
পরে নিকোলাস পুরান (৮) দ্রুত ফিরে গেলে রানের গতিও কমে আসে টাইটানসদের। সেখান থেকে দেড়শ পেরোনো সংগ্রহের রাস্তা করে দেন আরিফুল হক ও কার্লোস ব্র্যাথওয়েট। দুজনে ৪ ওভারের ঝড়ে ৪৭ রান যোগ করেন।
ব্র্যাথওয়েট ৩ চার ও এক ছয়ে ১২ বলে ২২ রানে রানআউট হয়ে ফেরেন। আরিফুল শেষপর্যন্ত লড়ে ফেরেন ৪ চার ও এক ছয়ে ২১ বলে ৩৫ রানে।
কুমিল্লার হয়ে ৩ উইকেট নিয়ে সেরা আল-আমিন হোসেন, অবশ্য ৪ ওভারে ৫২ রান খরচ করে ব্যয়বহুলও আগের ম্যাচেই বোলিং অ্যাকশন নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ হওয়া এই পেসার।








