ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে বিএনপির প্রার্থী তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে করা রিট কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে খারিজ করেছেন হাইকোর্ট।
হলফনামায় ‘সম্পদের তথ্য গোপন’ এর অভিযোগে তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিকের করা রিটের শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি জেবিএম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী কামরুল হক সিদ্দিকী ও আব্দুল মতিন খসরু। আর তাবিথ আউয়ালের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রোকন উদ্দিন মাহমুদ।
আদালতের পর্যবেক্ষণের বিষয়ে তাবিথ আউয়ালের পক্ষের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার খায়রুল আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন: ‘আদালত তার পর্যবেক্ষণে বলেছেন, ‘যে ডকুমেন্টের উপর ভিত্তি করে এই রিটটি করা হয়েছে সেই ডকুমেন্টের সত্যতা এই মুহূর্তে প্রমাণ করা সম্ভব নয়। আর যেহেতু নির্বাচনের মাত্র চারদিন বাকি, সেহেতু কোর্ট এক্ষেত্রে ইন্টারফেয়ার করছে না। তবে কোন প্রার্থী যদি সংক্ষুব্ধ হন, তবে নির্বাচনের ফলাফল হয়ে যাওয়ার পরেও সে প্রার্থী উপযুক্ত ফোরামে মামলা করতে পারবেন।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাবিথের বিষয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
ওই দিন তিনি সাংবাদিকদের বলেন: ‘সিঙ্গাপুরের কোম্পানি এনএফএম এনার্জির (সিঙ্গাপুর) তিনজন শেয়ারহোল্ডার আছেন, তাদের একজন তাবিথ আউয়াল, অন্য দুজন তার সহযোগী। তিনজন মিলে এই কোম্পানির সকল শেয়ারের মালিক। কিন্তু এই তথ্য তাবিথ আউয়াল হলফনামায় উল্লেখ করেননি। অথচ এই তথ্য গোপন করায় তার প্রার্থিতা বাতিল হতে বাধ্য।’
তবে এই অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ায় তাবিথ আউয়ালের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে রোববার হাইকোর্টে রিট করেন বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক।
সেই রিটের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট বলেন, ‘কিছু পর্যবেক্ষণ দিয়ে আমরা রিটটি খারিজ করছি।’








