রাজধানীর আফতাবনগর থেকে গ্রেফতার হওয়া জামাআতুল মুজাহিদীন বাংলাদেশ-জেএমবি’র ৩ জঙ্গি সারোয়ার-তামিম গ্রুপের পক্ষে কর্মী ও অর্থ সংগ্রহের পাশাপাশি নতুন সদস্যদের জিহাদে উদ্বুদ্ধ করা এবং হিজরতের জন্য প্রস্তুতির পর্বগুলো সম্পন্ন করার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল বলে র্যাবের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া আগে গ্রেফতার হওয়া ইমাম মেহেদী নামের একজন কথিত বড় ভাইয়ের তত্ত্বাবধানে সারোয়ার-তামিম গ্রুপ পুনর্গঠনের কাজেও নিয়োজিত ছিল তারা।
মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর আফতাবনগর থেকে গোপন বৈঠক করার সময় মুশফিকুল হক (২৪), বিপ্লব হোসেন কামাল (২৬), মামুনুর রশিদকে (২৬) আটক করে র্যাব। এসময় তাদের কাছ থেকে জিহাদি বই, ল্যাপটপ ও ট্যাব জব্দ করা হয়।
বুধবার কাওরান বাজার র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন র্যাব-৩ এর অধিনায়ক (সিও) লেফটেনেন্ট কর্ণেল তুহিন মোহাম্মদ মাসুদ।
তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে ওই তিন জঙ্গি জানায় “বড় ভাই ইমাম মেহেদীর তত্ত্বাবধায়নে সংগঠনকে পুনর্গঠনের জন্য কাজ করছিল। নতুন কর্মী সংগ্রহের পর জঙ্গিবাদে উদ্বুদ্ধ করতে ও তাদেরকে হিজরতের জন্য প্রস্তুতি মূলক কাজের দায়িত্বে ছিল তারা”।
র্যাব-৩ এর এ অধিনায়ক আরো বলেন, তারা তিনজনই আরবি ভাষা ও প্রযুক্তিতে দক্ষ হওয়ায় জঙ্গিবাদের বিভিন্ন আরবি অার্টিকেলের অনুবাদ করে পিডিএফ ফাইলের মাধ্যমে ইন্টারনেট এবং বিভিন্নভাবে সংগঠনে সদস্যদের কাছে সরবরাহ করতো। এছাড়াও সংশ্লিষ্ট ভিডিও ও বই সরবরাহের কাজ করতো তারা।
তাদের জিজ্ঞাসাবাদে সারোয়ার-তামিম গ্রুপের ইমাম মেহেদী, তাওহিদ, সাজিদ হাসান তৌহিদসহ আরও বেশ কয়েকজনের নাম পাওয়া গেছে। গাজীপুরের জঙ্গি অভিযানে নিহত অপুসহ এরা সবাই ঢাকার ফার্মগেটের একটি বাসায় নিয়মিত জঙ্গিবাদ নিয়ে গোপন বৈঠক করতো।
আটক তিন আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে বলেও জানান র্যাবের এই কর্মকর্তা।








