কোটাবিরোধী আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে গত ১৬ জুলাই সংঘর্ষের বিষয়ে জানতে গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সর্ব-সাধারণের কাছে তথ্য চাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিচারপতি খোন্দকার দীলিরুজ্জামানের তদন্ত কমিশন।
বুধবার সুপ্রিম কোর্ট অডিটোরিয়ামের মেডিয়েশন সেন্টারে প্রথম মিটিং শেষে একথা জানান তদন্ত কমিশনের দায়িত্বপ্রাপ্ত হাইকোর্টের এই বিচারপতি।
এসময় তিনি বলেন, ‘আমরা আজ প্রথম মিটিং করেছি। আমরা দেশের সাধারণ মানুষের কাছে, যাদের কাছে এ সংক্রান্ত তথ্যাদি রয়েছে, সেগুলো আমরা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আহ্বান করব। আমার উপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তা আমি সম্পূর্ণ সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিচারপতি খোন্দকার দীলিরুজ্জামান বলেন, ‘ওই ছয় জনের ( ১৬ জুলাই নিহত) বিষয়ে এ কমিশন গঠিত হয়েছে, এটার তদন্ত করব। পরবর্তী ঘটনার বিষয়ে পরবর্তীতে দেখা হবে। আমি আমার এখতিয়ারের ভেতরে সীমাবদ্ধ থাকব।’
কোটাবিরোধী আন্দোলন সহিংসতার রূপ নিলে গত ১৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ বাঁধে। এতে ঢাকা দুইজন, চট্টগ্রামে তিনজন এবং রংপুরে একজনের মৃত্যু হয়। এই ছয়জনের প্রাণহানির তদন্তে হাইকোর্টের বিচারপতি খোন্দকার দীলিরুজ্জামানকে দিয়ে একটি তদন্ত কমিশন গঠন করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।
তদন্ত কমিশন গঠনের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত ১৬ জুলাই দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত ঘটনায় নিহত হওয়া এবং সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সহিংসতা, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ঘটনা তদন্ত শেষে ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে সরকারকে প্রতিবেদন দেবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সমন্বয় ও সংস্কার বিভাগ এই কমিশনকে সচিবিক সহায়তা দেবে।








