সাত দশমিক ৯ মাত্রার একটি ভূমিকম্পের কেন্দ্র ঢাকা থেকে ৮১ কিলোমিটার দূরে হলে ঢাকার ভবিষ্যৎ কি হতে পারে এ নিয়ে ভূতত্ত্ববিদরা দু রকম মত দিয়েছেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বদরূল ইমাম বলেছেন, কি হতে পারে তাতো আজই বোঝা গেছে।
ভূমিকম্পের কেন্দ্র অনেক দূরে হলেও ঢাকার প্রায় সবগুলো ভবনই আজ কেঁপে উঠেছিলো। এই ভূমিকম্পের কেন্দ্র এত দূরে না হয়ে কাঠমান্ডুর মতো ৮১ কি.মি. দূরে হলে ঢাকার অনেক ভবনই ধসে পড়তো।
তিনি বলেন, ৫৪৫ কি.মি. দূরের ভূমিকম্পেই ঢাকার যে অবস্থা তাতে খুব কাছে হলে কি ঘটতো সেটা কল্পনাই করা যায় না।
তবে কোনো কোনো ভূতত্ত্ববিদ অতটা হতাশ হতে চান না।
পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মকবুল-ই-ইলাহী বলেছেন, ভূমিকম্প নিয়ে যে ম্যাপিং তাতে ঢাকায় অত বড় মাপের ভূমিকম্প আঘাত করার কথা না। এ কারণেই ঢাকার কোন ভবনই ৬.৫ মাত্রার ভূমিকম্পের চেয়ে বেশি সহনীয় হিসেবে নির্মাণ করা হয়নি।
তিনি বলেন, ভূমিকম্প নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি করা ঠিক নয়। আজ বংলাদেশে যে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে তা মূলত আতঙ্কের কারণে।
মকবুল-ই-ইলাহী বলেন, আমাদের অবশ্যই প্রাক-প্রস্তুতি থাকেতে হবে। কিন্তু এর মানে এই না যে মানুষের মধ্যে আতঙ্কের বার্তা ছড়াতে হবে।
তার মতে, ভূমিকম্প নিয়ে যে ম্যাপিং আছে তার ভিত্তিতে প্রস্তুতি এবং আতঙ্কের বদলে সচেতনতা গড়ে তোলা জরুরি।







