আশির দশকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবল লিগের অন্যতম জনপ্রিয় খেলোয়াড় ছিলেন গণেশ থাপা। তিনি ঢাকা মোহামেডানের ফরোয়ার্ডের নির্ভরযোগ্য খেলোয়াড় ছিলেন।ঢাকার মাঠ কাঁপানো গণেশ থাপাকে ১০ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করেছে আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থা-ফিফা।
ঘুষ গ্রহণ ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে নেপাল ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সাবেক সহ সভাপতি গণেশ থাপাকে এ শাস্তি দেওয়া হয়েছে।উল্লেখ্য গণেশ থাপা নেপাল সরকারের একজন এমপি।
প্রভাবশালী দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গতকাল লাওস ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি ভিফেত সিহাচাকরকে দুই বছর নিষিদ্ধ করেছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থাটি। তার বিরুদ্ধেও ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। ভিফেতকে ৩৯ হাজার ৫০০ মার্কিন ডলার জরিমানা করা হয়েছে।
থাপার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ ওঠার পর তাকে নিষিদ্ধ করলো ফিফা। নেপালের ফুটবল উন্নয়নের কথা বলে ফিফার কাছ থেকে অর্থ আনলেও থাপা তা নিজের কোষাগারে জমা করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তার বিরুদ্ধে ওঠা এসব গুরুতর অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে নেপালি কর্তৃপক্ষও। প্রমাণ হলে তার জেলও হতে পারে।
২০০৯ ও ২০১১ সালের এএফসি কংগ্রেস সামনে রেখে আরেক শীর্ষ ফুটবল কর্মকর্তার কাছ থেকে ঘুষ নেয়ার অভিযোগ থাপার বিরুদ্ধে। তবে থাপা বলেছেন, তিনি ফিফার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে লড়াই করবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি এখন ক্রীড়া আদালতে আপিল করব।’
নেপালি জাতীয় ফুটবল দলের অধিনায়ক সাগর থাপাসহ পাঁচ ফুটবলারের বিরুদ্ধে ম্যাচ-ফিক্সিংয়ের আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করা হয়েছে।






