কম বেতন ও স্বল্প মেয়াদি চুক্তির একজন স্ট্রাইকার খুঁজছিল বার্সেলোনা। গ্রীষ্মকালীন দলবদলের অন্তিম দিনে মিলেও গিয়েছিল। স্বদেশি লুক ডি ইয়ংকে শিষ্য করে দলে টানেন তখনকার কোচ রোনাল্ড কোম্যান। তবে নতুন কোচ জাভি হের্নান্দেজের পরিকল্পনার অংশ হয়ে উঠতে পারেননি ডাচ স্টাইকার জং।
সেভিয়া থেকে কাতালান ক্লাবটিতে খেলতে আসা ৩১ বছর বয়সী ডি জংকে এবার ধারে পাঠাতে মরিয়া জাভির দল। সেভিলাও চাচ্ছে না তাকে ফেরাতে। এই পরিস্থিতিতে স্ট্রাইকারকে ছয় মাসের জন্য দলে টানতে চাইছে কাদিজ।
সেভিলা ও বার্সেলোনার সঙ্গে স্ট্রাইকারের জন্য আলোচনাও চালাচ্ছে কাদিজ। ক্লাব প্রধান আলভারো সারভেরা কাঙ্ক্ষিত খেলোয়াড়কে টানতেও মরিয়া। এখন অপেক্ষা শুধু ডি জংয়ের অনুমোদন।
বার্সার মতো গোল খরায় ভুগছে কাদিজ। ক্লাবটিতে ফরোয়ার্ড পাঁচজন, আছেন আলভেরো নেগর্দো-চোকো লুজানোর মতো খেলোয়াড়। তবুও, লা লিগায় দ্বিতীয় সর্বনিম্ন গোল করার লজ্জার রেকর্ড গড়েছে দলটি। ১৮ ম্যাচে খেলোয়াড়রা প্রতিপক্ষের জাল খুঁজে পেয়েছিল মোটে ১৫ বার। সেই দুর্দাশা থেকে কাটিয়ে উঠতে চাইছে কাদিজ।
জাভি তার দলে একজন মাঝমাঠের স্ট্রাইকার খুঁজছেন। সে লক্ষ্যে তিনি তাকিয়ে আছেন ম্যানচেস্টার সিটির ফেরান তোরেসের দিকে। ডি জংকে কাদিজে পাঠাতে পারলে শাপে বর হয়েই আসবে কাতালান ক্লাবটিতে।
ডাচ ক্লাব দে গ্রাফশাপের হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করা ডি ইয়ং খেলেছেন এফসি টোয়েন্টে, বরুসিয়া ম’গ্লাডবাখ, নিউক্যাসল ইউনাইটেড, পিএসভি আইন্দহফেনের মতো ক্লাবে। ডাচ ক্লাবগুলোর হয়ে জাল খুঁজতে সমস্যা না হলেও বিবর্ণ ছিলেন দেশের বাইরে। প্রিমিয়ার লিগে নিউক্যাসলে ১২ ম্যাচ খেলে খুলতে পারেননি গোলের খাতাই। বরুসিয়া ম’গ্লাডবাখ হয়ে দুই মৌসুমে মোট ৪৫ ম্যাচ খেলে ৮ গোল করেছিলেন। সেভিয়ার হয়ে ৯৪ ম্যাচ খেলে গোল করেছেন ১৯টা। আর জাভির বার্সার হয়ে খেলেছিলেন মোটে আট মিনিট।








