ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) নির্বাচনে জাল ভোট, অনিয়ম এবং ভোট গ্রহণে নৈরাজ্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টির অভিযোগ এনে সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করে পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন ‘পরাজিত প্রার্থী’রা।
কয়েকটি প্যানেলের প্রার্থীরা একটি যৌথ বিবৃতিতে এই দাবি জানান। নির্বাচনের ফল এখনও ‘প্রকাশ করা হয়নি’ বলেও ওই বিবৃতিতে বলা হয়।
বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই যৌথ বিবৃতিতে সাক্ষর করেছেন: ডিইউজে নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী কুদ্দুস আফ্রাদ, আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক পদ প্রার্থী খায়রুজ্জামান কামাল, গাজী জহিরুল ইসলাম, সাজ্জাদ আলম খান তপু, এম. এ কুদ্দুস, অমিয় ঘটক পুলক, রওশন ঝুনুসহ ১০ প্রার্থী।
ওই বিবৃতিতে জানানো হয়: ‘২৮ তারিখের ডিইউজে নির্বাচনে নজিরবিহীন জাল ভোট দেয়া হয়। হঠাৎ করে ২ ঘণ্টা ভোট গ্রহণের গতি কমিয়ে আনা হয়, পরে ভোট গ্রহণের সময় ১ ঘণ্টা বাড়িয়ে দেয়া হয়। ভোট গ্রহণে এমন অরাজকতার কারণে কয়েকশ সাংবাদিক কয়েক ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট না দিয়েই চলে যেতে বাধ্য হন।’
ভোট গ্রহণে এমন পরিস্থিতিকে বিবৃতিতে ‘তুঘলকি কাণ্ড’ বলে আখ্যায়িত করেছেন অভিযোগকারীরা।
তারা বলেন: ‘জাল ভোট দেয়ার সময় ৩০ জনকে হাতেনাতে ধরে নির্বাচন কমিশনের হাতে সোপর্দ করলেও আটকদের ছেড়ে দেয়া হয়। বিক্ষুব্ধ সদস্যদের প্রতিবাদের মুখে রাত সাড়ে ১২ টায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি ফলাফল ঘোষণা না করেই কেন্দ্র থেকে চলে যায়।’
ডিইউজে নির্বাচনে বিজয়ীদের ‘স্বঘোষিত বিজয়ী’ উল্লেখ করে বিবৃতিতে বলা হয়: যে নির্বাচনী ফলাফল প্রচার করা হচ্ছে, সেটি নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত ফলাফল নয়। বুধবার রাতে ফেসবুকে এবং পরে কয়েকটি গণমাধ্যমে প্রকাশিত নির্বাচনী ফলাফল ‘ভুয়া’।
স্বঘোষিত ফলাফলের ভিত্তিতে গণমাধ্যমে খবর প্রচার করার ঘটনাকে দুঃখজনক বলে ওই বিবৃতিতে জানানো হয়।
গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ছবিযুক্ত ভোটার তালিকা পুনরায় প্রণয়নের দাবি জানিয়ে তারা বলেন: এটা করা না হলে তিন হাজার সাংবাদিকের সংগঠনটি অস্তিত্ব সংকটে পড়বে।







