ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসগুলো উল্টোপথে না গিয়ে ঠিকপথে চলা শুরুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এখন উল্টো পথে চলা গাড়ির ভিডিও প্রকাশ করছে। শিক্ষার্থীরা বলছেন, তারা সচেতন হয়েছেন, এখন অন্যদেরও তারা সচেতন করতে চান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন বাস উল্টোপথে চললে বাসের রুট বাতিল করা হবে– কর্তৃপক্ষের এ সাবধানবাণীর পরদিন আবারও উল্টোপথে চলে বিশ্ববিদ্যালয়টির ‘চৈতালী’ বাস। এ নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়।
ঢাবি কর্তৃপক্ষ উল্টোপথে চলতে বাধ্য করা অভিযুক্ত শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ অস্থায়ীভাবে চৈতালীর রুট বাতিল করা হবে বলে জানায়।
এরপর থেকেই চৈতালি বাস নিয়মমাফিক ঠিক পথে চলাচল করছে। জ্যামের কারণে শিক্ষার্থীদের ক্লাসের সময় পার হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকার পরও চৈতালিকে আর নিয়ম ভেঙ্গে উল্টোপথে যেতে দেখা যায়নি। কিন্তু একই সময় একই এলাকায় উল্টোপথে অন্য যানবাহন চলতে দেখা গেছে।
উল্টোপথে যান চলাচলের ভিডিও ধারণ করে তা ইউটিউবে আহমেদ মোস্তাক নামের এক শিক্ষার্থী।
ভিডিওটি প্রকাশ করে তিনি লিখেছেন: “সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের চৈতালী বাস ছাড়ে মিরপুর ১২ থেকে। আমার স্টপেজ পূরবী, বাসে যখন উঠলাম তখন প্রায় ৯টা ৪৫ বাজে। ৬-৭ মিনিটেই চলন্তিকা পার হলাম রাস্তা ফাঁকা থাকায়। এর একটু পরেই প্রায় ১৫ মিনিটের বাজে রকমের জ্যাম, নেক্সট স্টপেজ মিরপুর ২। জ্যামে বাসের চাকা যখন অবশ হবার উপক্রম তখন ২-৩ জন নেমে গেলাম সিগনালে, জ্যাম এর কারণ এবং অবস্থা জানতে। দেখলাম সিটি কর্পোরেশনের সেই টিপিক্যাল রাস্তা সংস্কারের কাজ চলছে। তাই একটা একটা করে বাস/কার/রিক্সা মোড় পার করছে, যার ফলে সিগনাল ছাড়লেও জ্যাম ছাড়তে সময় লাগছে এত বেশী।
“আমার ক্লাস শুরু হবে ১০টা ৪০ মিনিটে। ক্লাসটি করতে পারবো এই আশায় বাসে উঠেছিলাম; তাই ট্রাফিক পুলিশের কাছে সিগনাল ছেড়ে বাসটি যেতে দেয়ার জন্য অনুরোধ করতেই উনি বললেন ‘জ্যাম দেখছেন তো রঙে যাইতে পারলেন না?’ কথাটি শুনে কষ্ট পাবো নাকি নস্টালজিক হবো সেই সিদ্ধান্ত নেয়ার আগেই অবচেতন মনে রঙ সাইডে চোখ চলে গেল।’’
তাতেই দেখা গেল উল্টোপথে চলছে বাম, প্রাইভেট কার, সিএনজি অটোরিকশা।
ভিডিওতে দেখুন উল্টোপথে গাড়ি চলাচলের সেই দৃশ্য








