জার্মানির হামবুর্গ শহরে অনুষ্ঠিত জি-২০ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির পুতিন প্রথমবারের মত মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন। তাদের মধ্যে নানা বিষয়ে কথা হওয়ার কথা থাকলেও ইউক্রেন, সিরিয়া এবং মার্কিন নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগের পর দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়ন চান বলে ধারণা করা হচ্ছে।
জলবায়ু পরিবর্তন এবং ব্যবসা নিয়ে বিশ্ব নেতাদের মধ্যে ইতোমধ্যে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে।
জি-২০ সম্মেলনের কিছু সময়ের জন্য আলাদা করে বৈঠকে বসার কথা রয়েছে বিশ্বের শীর্ষ এই দুই নেতার।তারা শুক্রবার বিকালে বৈঠকে বসতে চলেছেন। রাশিয়ার গণমাধ্যমের তথ্যমতে বিকালে ৩০ মিনিটের জন্য আলাদা করে বৈঠক করবেন।সেখানো আলোচনার মূল বিষয় হতে পারে সিরিয়া এবং ইউক্রেন সংকট।
মঙ্গলবার ট্রাম্প পোল্যান্ডে মার্কিন প্রেসিডেন্ট এক বক্তৃতায় বলেন, মস্কোর উচিত সিরিয়া এবং ইরানকে সহায়তা না করে দায়িত্বশীল দেশগুলোর সঙ্গে যোগ দেয়া। ট্রাম্প এ সময় শত্রুদের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াই চালানোর উপর গুরুত্বারোপ করেন।
ক্রেমলিন অবশ্য ট্রাম্পের ওই বক্তব্যকে প্রত্যাখান করে বলেছেন, ইউক্রেনের ক্রিমিয়াকে ২০১৪ সালে দখল করে এবং প্রয়োজনীয় সকল অস্ত্র সহায়তা দিয়ে ইউক্রেন থেকে ক্রিমায়াকে আলাদা করার জন্য রাশিয়ার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়।
মস্কো এই অভিযোগকে প্রত্যাখান করে দিয়ে বলেছে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে রাশিয়ান বাহিনী কাজ করেছে।সিরিয়া বিষয়ে ওয়াশিংটন কিছু অস্ত্রধারী বিদ্রোহীদের পক্ষে অবস্থান নেন।কিন্তু রাশিয়া মূল ধারা বাশার আল-আসাদ সরকারের সঙ্গে ছিলো।
২০১৬ সালের পর মার্কিন নির্বাচনে রাশিয়ার সম্পৃক্ততার কথা উঠার পর থেকে ট্রাম্প- পুতিন মুখোমুখি কথা হওয়ার কথা হয়ে আসছিলো্।অবশেষে শুক্রবার বিকেলে হতে যাচ্ছে বিশ্বের বড় এই দুই নেতার মুখোমুখি বৈঠক।








