হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি কারখানা না সরানো পর্যন্ত প্রতিদিন প্রতিটি কারখানাকে ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন সুপ্রীম কোর্টের আপিল বিভাগ। জরিমানার টাকার ৫০ শতাংশ লিভার ফাউন্ডেশনকে ও বাকি অর্ধেক টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়ারও নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
গত মাসের ১৬ জুন হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি কারখানা না সরালে প্রতিদিন প্রতিটি কারখানাকে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলো শিল্প মন্ত্রণালয়। এ নির্দেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রীট করেন ট্যানারি মালিকরা। মন্ত্রণালয়ের আদেশের পক্ষে রায় দেন হাইকোর্ট। হাইকোর্টের এই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ট্যানারী মালিকরা আপিল করেন। প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বে আপিল বিভাগ জরিমানা ৫ ভাগের ৪ ভাগই কমিয়ে প্রতিদিন ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।
রীটকারী আইনজীবী মনজিল মোরশেদ বলেন, গত ১৬ই জুন আদালত এই প্রতিটি কারখানাকে ট্যানারি না সরানো পর্যন্ত প্রতিদিন ৫০ হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার আদেশ দেন। এর বিরুদ্ধে অ্যাসোসিয়েশন আপিল করে। আজ সেটার শুনানী হয়েছে। হাইকোর্ট ৫০ হাজার টাকা থেকে কমিয়ে ক্ষতিপূরণ ১০ হাজার টাকা করে দিয়েছেন।
হাইকোর্টের আদেশে হাজারীবাগ ট্যানারী কারখানার কারণে বুড়িগঙ্গার দূষণ নিয়ে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছিলো। রীটকারী আইনজীবী জানান, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা না দিলে তারা আদালত অবমাননার মামলাও করবেন।
তিনি আরও বলেন, যে টাকা ক্ষতিপূরণ বাবদ জমা হবে তার অর্ধেক টাকা লিভার ফাউন্ডেশনকে ও বাকি টাকা সরকারি কোষাগারে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বুড়িগঙ্গায় প্রতিদিন কি পরিমাণ ক্ষতি হচ্ছে সে বিষয়ে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ বহাল আছে।
দীর্ঘ দেনদরবারের পর এ বছর থেকে কিছু কিছু কারখানা সাভারে ট্যানারি পার্কে স্থানান্তর কাজ শুরু করলেও বেশিরভাগই এখনো রয়ে গেছে পুরোনো হাজারীবাগে।








