নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি না সরানোয় ১৫৪টি ট্যানারি
কারখানাকে প্রতিদিন ক্ষতিপূরণবাবদ ৫০ হাজার টাকা করে রাষ্ট্রীয় কোষাগারে
জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি না
সরানো পর্যন্ত প্রতিদিন তাদের এই ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। বৃহস্পতিবার এ নির্দেশ দেন হাইকোর্ট।
এর আগে মার্চের মধ্যে হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি না সরালে ৩১ মার্চ থেকে হাজারীবাগে গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানির লাইন বন্ধ করে দেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নেয় শিল্প মন্ত্রণালয়।
পরিবেশ ও নদী দূষণের কারণে রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে কাঁচা চামড়া কারখানা ট্যানারি সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হয় ২০০৪ সালে। এ সময়ের মধ্যে সাভারের হরিনদরায় চামড়া শিল্প নগরীর জন্য নির্ধারিত স্থানে কেন্দ্রিয় বর্জ্য শোধনের দুটি মডিউল স্থাপিত করা হয়। গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির লাইন দেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়।
ট্যানারি ব্যবসায়ীরা এক যুগে ৮ বার সময় নিয়েছেন। তবে স্থানান্তর করেননি একটি ট্যানারিও।
শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়, ১৫৫ জন ট্যানারি মালিককে প্লট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ক্ষতিপূরণের ২৫০ কোটি টাকাও দেয়া হয়েছে। চামড়া শিল্প নগরী উন্নয়নে সরকারি কাজের ৮০ শতাংশও শেষ হয়েছে।
তবুও ১২ বছর ধরে একের পর এক কারণ দেখিয়ে ট্যানারি সরাননি ব্যবসায়ীরা।








