টেক্সটাইল মিলের মালিক থেকে জেএমবি’র অর্থ যোগানদাতা হয়েছেন সংগঠনের ঢাকা মহানগর পশ্চিমের দাওয়াতি আমির ইমরান আহমেদ।
রোববার দুপুরে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাবের মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের গণমাধ্যম শাখার প্রধান মুফতি মাহমুদ খান এ তথ্য জানান।
মুফতি মাহমুদ বলেন, ইমরান একটি টেক্সটাইল মিলের মালিক। ২০১২ সালে এক বন্ধুর মাধ্যমে সে জঙ্গি কার্যক্রমে জড়িয়ে পড়ে। সে তার অফিস, ফ্যাক্টরি এবং বাসা এ তিন জায়গায় জঙ্গিবাদের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ধরনের বই পুস্তক ও অনেক জিনিসপত্র রাখত। তাকে গ্রেফতারের পর সেগুলো জব্দ করা হয়েছে।
তিনি জানান, ইমরান জঙ্গিদের আর্থিকভাবে সহযোগিতা করার পাশাপাশি অনেক জঙ্গির পাসপোর্ট তৈরি করে দিত। এর আগে আব্দুল হাকিম নামে র্যাবের হাতে গ্রেফতার হওয়া এক জঙ্গির জামিন করানোর জন্য তার স্ত্রীকে ইমরান দুই লাখ টাকা দিয়েছে।
এছাড়া সিলেটের আতিয়া মহলে র্যাবের অভিযানের পূর্বে সেখানে অবস্থান করা সাজিদ নামের এক জঙ্গি পালিয়ে ছিল। সেখান থেকে পালিয়ে আসার পর সাজিদ ও ইমরান এক সঙ্গে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করছিল। সাজিদ জেএমবির একটি গুরুত্বপূর্ণ পদের দায়িত্বে আছে।
মুফতি মাহমুদ বলেন, জেএমবি বর্তমানে ‘দাওয়াতের’ দিকে বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে। এ কারণে তারা কিছুদিন আগে বগুড়ার সোনাতলা নামক স্থানে বৈঠক করেছে। আর সে বৈঠকে ‘দাওয়াতি কার্যক্রমের’ জন্য ১০ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
আতিয়া মহল থেকে পালানো জঙ্গি সাজিদ ওই কমিটিতে দাওয়াতি সদস্য এবং মূল আমিরের মধ্যস্থতাকারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছে। আর মূল আমির সবসময় পর্দার আড়ালে থেকে স্বমনয়কারীর মাধ্যমে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তবে বর্তমানে সাজিদ আত্মগোপনে রয়েছে ।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে শনিবার রাতে ইমরানসহ জেএমবির সারোয়ার-তামিম গ্রুপের শুরা সদস্য মো. শামীম মিয়াকে গ্রেফতার করে র্যাব-১১।
ছবি: জাকির সবুজ








