আফগানিস্তানের সঙ্গে গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে হারের পর ইতিবাচক থাকার কথা বলেছিলেন অধিনায়ক মাশরাফী বিন মোর্ত্তজা। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর কথাও শুনিয়েছেন। কিন্তু ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে তেমন কিছুই হয়নি। ভারতের বিপক্ষে ন্যূনতম লড়াইটুকুও করতে পারেনি বাংলাদেশ।
ভারতের কাছে হারায় এশিয়া কাপের ফাইনালে যাওয়ার পথ কঠিন হয়ে পড়েছে বাংলাদেশের জন্য। রোহিতের দলের বিপক্ষে ৭ উইকেটে বিধ্বস্ত হওয়ায় পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থাকার পাশাপাশি রান রেটেও অনেক পিছিয়ে পড়েছে মাশরাফীরা। এমন অবস্থায় টুর্নামেন্টে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ টাইগারদের।
এশিয়া কাপে ‘সুপার ফোরে’র ম্যাচে বাংলাদেশের এবারের প্রতিপক্ষ আফগানিস্তানেরও একই বাস্তবতা। সেরা চারে নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে হেরে রশিদ খানরা এখনো পয়েন্টহীন। একই বিন্দুতে দাঁড়িয়ে থাকা বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের আবুধাবির ম্যাচ উত্তাপ ছড়াবে বলেই ধারণা ক্রিকেটপ্রেমীদের।
ভারতের বিপক্ষে সুপার ফোরের প্রথম ম্যাচে আগে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৭৩ রানে গুটিয়ে যায় বাংলাদেশ। জবাবে ৮২ বল ও ৭ উইকেট হাতে রেখে সহজেই লক্ষ্য টপকে যায় কোহলিবিহীন ভারত। এমন হারের পর বাংলাদেশের এশিয়া কাপ এখন খাদের কিনারে দাঁড়িয়ে। রোববার সুপার ফোরের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ লড়াইয়ে টিকে থাকতে মরিয়া আফগানিস্তান। যারা নিজেদের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে শেষ ওভারে গিয়ে হেরেছে। রান রেটে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়েও আছে আফগানিস্তান। গ্রুপপর্বের শেষ ম্যাচে বাঙলাদেশকেও হারিয়েছে দলটি।
এই ম্যাচে হারলে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ ‘যদি’ ও ‘কিন্তু’র ওপরই টিকে থাকবে। তবে সম্ভাবনাটা বিদায়ের দিকেই হেলে থাকবে বেশি। অবশ্য এখনই আশা ছাড়তে চান না মাশরাফী। পরের দুই ম্যাচে জিতে ফাইনালে খেলার স্বপ্ন দেখছেন, ‘আমার মনে হয় এখনো সম্ভব। এই অবস্থা থেকে ফেরা সম্ভব। আর আমার মনে হয় এত হতাশ হওয়ারও কিছু নেই। অবশ্য দুই ম্যাচে হার খুব হতাশার। বিশেষ করে এ ম্যাচে হার বেশি হতাশার। তবে এখনো সুযোগ আছে। যদি আফগানিস্তানের বিপক্ষে জিততে পারি, তাহলে ৫০-৫০ সুযোগ থাকবে পাকিস্তানের বিপক্ষে ম্যাচে।’
বাংলাদেশ-আফগানিস্তানের দিনেই দুবাইতে হাইভোল্টেজ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ভারত ও পাকিস্তান। তাদের প্রত্যেকের ঝুলিতে আছে সুপার পোর পর্বে একটি করে জয়।








