ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। কমলাপুর স্টেশন থেকে আজ দেওয়া হয় ১৩ জুলাইয়ের টিকিট। রেলমন্ত্রী বলেছেন, অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এবার ট্রেনে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমাতে সর্বোচ্চ সচেষ্ট থাকবে রেলওয়ে। কালোবাজারি বন্ধে জিরো টলারেন্সের কথাও বলেছেন তিনি।
অগ্রিম টিকিট কিনতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে অপেক্ষা করা মানুষ বলছেন, বাংলাদেশে এখনো নিরাপদ এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে যাত্রীদের পছন্দের শীর্ষে রেলওয়ে।
ঈদ উল ফিতর উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির শুরুর দিন তাই কমলাপুর স্টেশনে রাত থেকেই ছিলো টিকিট প্রত্যাশীদের দীর্ঘ লাইন। আগের দিন সন্ধ্যায় এসে পরদিন সকাল ৯টায় টিকিট পেয়ে যেনো ঈদের চাঁদ হাতে পান যাত্রীরা। তারা বলেন, বাড়ি গিয়ে ঈদ করতে যে পরিমাণ খুশি লাগবে, এখনও তেমনই লাগছে। বাড়ি যাওয়ার সুখের কাছে এসব কষ্ট কষ্টই না।
টিকিট কালোবাজারি বন্ধে এবার সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা আছে পুলিশের পক্ষ থেকে। বসানো হয়েছে সিসি ক্যামেরাও।
কমলাপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মজিদ বলেন, আমরা সবসময় মনিটরিং করছি। যেন কোনো কালোবাজারি সুবিধা করতে না পারে। যাত্রীসাধারণের নিরাপত্তার জন্য যা যা করা দরকার সবই আমরা করেছি।
ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের আগাম টিকিট বিক্রির প্রথম দিন কমলাপুর স্টেশনে আসেন রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক। সে সময় তিনি কালোবাজারির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ দেখানোর কথা বলার পাশাপাশি রেলওয়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টার কথা জানান।
তিনি বলেন, ১ লাখ ৭০ হাজার ছিলো নিয়মিত অবস্থায়, এখন হবে আড়াই লাখ। আপনারা মেহেরবানী করে আমাদেরকে একটু সহযোগিতা করবেন। আপনারা সবাই নিয়ম মেনে, নিয়ম মেনে যাতায়াত করবেন।
যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং টিকিট কালোবাজারি বন্ধে স্টেশন এলাকা পরিদর্শন করেছেন এলিট ফোর্স র্যাবের মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ।
শুক্রবার কমলাপুর স্টেশন থেকে দেওয়া হবে ১৪ জুলাইয়ের আগাম টিকিট।







