টানা বর্ষণে পাহাড়ি ঢলের পানিতে সৃষ্ট বন্যায় ভাসছে কক্সবাজারের চকরিয়া। গত সোমবার থেকে পৌরসভাসহ উপজেলার ১৫টির বিশেষ ইউনিয়ন পানিতে তলিয়ে গেছে। অন্তত ২০ হাজারের বেশি বসতঘর পানিতে ভাসছে। এতে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে দুই লক্ষাধিক মানুষ। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। অচল হয়ে গেছে বিস্তীর্ণ জনপদ।
চকরিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ সভাপতি জাফর আলম জানান, উপজেলা ছাড়াও চকরিয়ার লক্ষ্যারচর, কৈয়ারবিল, বরইতলী, হারবাং, সাহারবিল, চিরিঙ্গা, পূর্ব বড় ভেওলা, বিএমচর, পশ্চিম বড় ভেওলা, ঢেমুশিয়া, কোনাখালী, ফাঁশিয়াখালী, বদরখালী, ডুলাহাজারা, খুটাখালী অধিকাংশ এলাকা বন্যার শিকার হয়েছে। এসব এলাকার অধিকাংশ বসতবাড়ি ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এখন পানিতে তলিয়ে গেছে।
অন্যদিকে অভ্যন্তরীণ জিদ্দবাজার-মানিকপুর সড়ক, চিরিঙ্গা-বদরখালী সড়ক, কেবি জালাল উদ্দিন সড়ক ও বরইতলি-মগনামা সড়কসহ কয়েকটি আঞ্চলিক সড়কের উপর দিয়ে ঢলের পানি প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে গ্রামীণ সড়কে যান চলাচল একেবারে বন্ধ। আঞ্চলিক সড়কে জীবন ঝুঁকি নিয়ে অল্প সংখ্যক গণপরিবহণ চলছে।
উপজেলা চেয়ারম্যান জাফর আলম বলেন, আমি আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শন করেছি। বন্যাকবলিত পরিবারগুলোকে প্রাথমিকভাবে শুকনো খাবার দিতে সকল চেয়ারম্যানকে নির্দেশ দিয়েছি। চকরিয়ার বন্যার ব্যাপারে জেলা প্রশাসককে অবহিত করে প্রয়োজনীয় জরুরি ত্রাণ বরাদ্দ চেয়েছি।







