টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ডুবাইল এলাকায় শনিবার দুপুরে নিজ বাড়ির সামনে দুর্বৃত্তের চাপাতির এলোপাথারি কোপে খুন হয় নিখিঁল চন্দ্র জোয়াদ্দার (৫০) নামের এক দর্জি। দুর্বৃত্তরা ৫ মিনিটেই হত্যার মিশন শেষ করে মটরসাইকেল যোগে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।
হত্যার কারণ সম্পর্কে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী অনুমান নির্ভর কোন তথ্য না জানাতে চাইলেও পরিবারের সন্দেহের তীর জঙ্গীগোষ্টির দিকেই। নিখিলের স্ত্রীর দাবি, তারা আমার স্বামীকে চড়-থাপর বা আরো বড় শাস্তি দিতে পারতো, মেরে ফেলার কি দরকার ছিল! 
হত্যার বিবরণ দিয়ে নিখিলের মেয়ে বন্যা বলেন, ঘটনার ৫ মিনিট আগে একটি মটরসাইকেলে ৩ যুবক তার বাবার দোকানের সামনে আসে। তার মধ্যে একজন বাবার কাছে পানি খেতে চায় অন্যজন পাশের দোকানে যান চিপস কেনার জন্য। বাবা-মাকে বাড়ি থেকে পানি আনতে বললে মা বাড়ি আসেন পানি আনতে। বাড়ি থেকে পানি এনে দেখেন দুই জন বাবাকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে মটর সাইকেল নিয়ে পালিয়ে যাচ্ছে। মা’র ডাক চিৎকারে আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলেও তাদের ধরতে পারেনি।
প্রতিবেশি আব্দুল হামিদ (৭০) বলেন, আমার জীবনে এমন নির্মম হত্যাকাণ্ড দেখিনি। নিখিল এমন কোনো খারাপ লোক নয় যে তাকে এভাবে হত্যা করতে হবে।
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন র্যাবের সিইও এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মো, শাহবুদ্দিন খান। এ সময় তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডটি জঙ্গী সংগঠনের কি’না আমরা খতিয়ে দেখছি। প্রাথমিকভাবে এ বিষয়ে কিছুই বলা যাবে না।
তবে, বিষয়টিকে আমরা কিছুতেই হালকাভাবে দেখছি না। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে বলেও তিনি জানান।
লাশের সাথে পাওয়া বোমা সদৃশ বস্তুগুলি উদ্ধার করে গোপালপুর থানায় বালু চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। ওই ব্যাগে আরো দু’টি চাপাতি উদ্ধার করা হয় যা মামলার আলামত হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়েছে । মামলার প্রক্রিয়া চলছে।
লাশ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।








