সেঞ্চুরিয়নে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে বাংলাদেশের দেয়া ৩১৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নামা সাউথ আফ্রিকা শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়েছে। ১০ ওভার পর্যন্ত তাদের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৪২ রান। রসি ফন ডার ডুসেন ৪ ও টেম্বা বাভুমা ১২ রানে ক্রিজে আছেন।
চতুর্থ ওভারে প্রোটিয়াদের ব্যাটিং অর্ডারে আঘাত হানেন শরিফুল ইসলাম। দ্রুতগতির পেসারের দ্বিতীয় ওভারের পঞ্চম বলে মুশফিকের গ্লাভসে ধরা পড়ে ফেরেন জানেমান মালান। ফিল্ড আম্পায়ার ব্যাটে বল লাগার ব্যাপারে নিশ্চিত না থাকায় তৃতীয় আম্পায়ারের সাহায্য নেন। টিভি রিপ্লেতে দেখা যায় বল ব্যাটে চুমু খেয়ে মুশফিকের গ্লাভসে গেছে। ১০ বলে ৪ রানে থামেন স্বাগতিক ওপেনার।
নবম ওভারের প্রথম বলে টাইগারদের আনন্দের উপলক্ষ এনে দেন আরেক পেসার তাসকিন আহমেদ। তার করা দারুণ এক বলে লেগ বিফোরে কাটা পড়েন কাইল ভেররেন্নে। ২৫ বলে ২ চার ও এক ছক্কায় তিনি করেন ২১ রান।
তিন বল পর রানের খাতা না খুলে ড্রেসিংরুমে ফেরেন এইডেন মার্করাম। তাসকিনের বলে পয়েন্টে দুরন্ত ক্যাচ নেন মেহেদী হাসান মিরাজ।
আগে সাউথ আফ্রিকা সফরে বাংলাদেশের শুরুটা হয় দারুণ। সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে তামিম ইকবালের দল তোলে ৭ উইকেটে ৩১৪ রান। এই ভেন্যুতে এরবেশি রান তাড়া করে জয়ের রেকর্ড আছে একবারই।
৬৭ বলে ৪১ রান করে তামিম আউট হন। ভাঙে ৯৫ রানের ওপেনিং জুটি। ফিফটি ছুঁয়ে দলীয় শতক পূর্ণ করে সাজঘরে ফেরেন লিটন। খেলেন ৬৭ বল।
মুশফিকুর রহিম বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারেননি। ১২ বলে ৯ রান করে ফেরেন। ৭ ওভারের মধ্যে ৩ উইকেট হারালেও সাকিব আল হাসান ও ইয়াসির আলী রাব্বি দারুণ এক জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত এনে দেন। ৮১ বলে তাদের ১১৫ রানের জুটি বদলে দেয় বাংলাদেশ ইনিংসের চেহারা।
৬৪ বলে সাত চার ও তিন ছয়ে ৭৭ রান করে আউট হন সাকিব। দুই বল পর ফিরে যান ইয়াসিরও। তরুণ ৪৪ বলে করে যান ৫০ রান।
মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ১৭ বলে ২৫ ও আফিফ হোসেন ধ্রুব ১৩ বলে ২৭ রান করেন। মেহেদী হাসান মিরাজ ১৩ বলে ১৯ ও তাসকিন আহমেদ ৫ বলে ৭ রানে অপরাজিত থাকেন।
সাউথ আফ্রিকার মাটিতে টাইগারদের এটিই সবচেয়ে বড় সংগ্রহ। আগের সর্বোচ্চ ছিল ২৭২।







