ঝিনাইদহের মহেশপুরের জঙ্গি আস্তানায় কাউন্টার টেররিজমের অভিযান এখনো চলছে। অভিযানকালে আত্মঘাতী বোমা হামলায় একজন এবং গুলিতে অপর এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। এছাড়াও আস্তানা থেকে তিন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।মাটি খুঁড়ে পাওয়া গেছে প্রচুর অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য।
বজরাপুরে আরেকটি জঙ্গী আস্তানায় অভিযানের জন্য ঢাকা থেকে বোম ডিসপোজাল ইউনিট যাচ্ছে। ১৪৪ ধারা জারি করে এলাকাটি ঘিরে রেখেছে পুলিশ।
আহত হয়েছেন কাউন্টার টেররিজমের এডিসি নাজমুল ইসলাম ও পুলিশের এসআই মহসিন। তাদের মধ্যে নাজমুল ইসলামকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
রোববার বিকেলে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে এসব তুলে ধরেন কাউন্টার টেররিজমের প্রধান মনিরুল ইসলাম।
তিনি বলেন: গত ৫ মে শামীম নামের এক জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে তথ্য দেয় ঝিনাইদহে একটি বাড়িতে জঙ্গি আস্তনার কথা। এবং সেখানে মাটির নীচে প্রচুর পরিমাণ অস্ত্র ও বিস্ফোরক দ্রব্য রয়েছে।
শামীমের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে কাউন্টার টেররিজমের একটি ইউনিট আজ ভোরে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়।
জঙ্গিরা সাম্প্রতিককালে কেন বর্ডার এলাকায় আস্তনা গড়ে তুলছে এমন প্রশ্নে মনিরুল ইসলাম বলেন: এখন জণসাধারণের মধ্যে সচেতনা তৈরি হয়েছে, তারা সহজে যাচাই বাছাই ছাড়া কাউকে বাসা ভাড়া নিতে দেয় না। ফলে জঙ্গিদের নতুন বাসা ভাড়া নিতে শহর অঞ্চলে কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।এছাড়া ঝিনাইদহে জঙ্গি আস্তনার একটি বাড়ি শামীমের নিজের বাড়ি। তাইতো কেউ সন্দেহ করছিল না।
পুলিশের কাউন্টার টেরেরিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম আরো বলেন: জঙ্গি আস্তনাগুলোতে তারা নিজেদের আত্মরক্ষার জন্য কিছু বিস্ফোরক দ্রব্য সংগ্রহে রাখে। মূলত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে ঘায়েল করতে তারা এসব ব্যবহার করত।







