প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে ৬০ রানে হারিয়ে সুপার লিগ শুরু করেছে আবাহনী লিমিটেড। প্রথম পর্বেও বড় ব্যবধানে জিতেছিল ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়নরা। এ জয়ের ফলে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে থাকা গাজীর সহাবস্থানে চলে এল মোহাম্মদ মিঠুনের দল।
বিকেএসপির তিন নম্বর মাঠে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নামা আবাহনী ৪৭ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩২১ রান তোলার পর বৃষ্টি শুরু হয়। ঘন্টাখানেক খেলা বন্ধ থাকার পর ডাকওয়ার্থ ও লুইস মেথডে প্রাইম ব্যাংকে ৪৭ ওভারে ৩৩৪ রানের টার্গেট দেওয়া হয়। বড় টার্গেটের চ্যালেঞ্জে নেমে ভালো সূচনা পেয়েছিল প্রাইম ব্যাংক। যদিও তারা ৪৩.৩ ওভারে ২৭৩ রানে গুটিয়ে যায়।
দুই ওপেনার মেহেদী মারুফ ও জাকির হাসান বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে স্কোরবোর্ডে ৭.২ ওভারে তোলেন ৬৪ রান। ২৪ বলে ২৮ রান করে শুভাগত হোমের শিকারে পরিণত হন মারুফ। নাহিদুল ইসলামকে নিয়ে মাত্র ১০.১ ওভারে দলীয় শতক পূর্ণ করেন জাকির। ৫৫ রান করে জাকির বিদায় নিলে ভাঙে ৫৩ রানের জুটিটি। দেড়শ পেরোনোর আগেই ৪৩ রান করে নাহিদুল সাজঘরে ফিরলে ব্যাকফুটে চলে আসে প্রাইম ব্যাংক। আর ম্যাচে ফেরা হয়নি তাদের। অভিমন্যু ইয়াসস্মরন ৪৩ ও আসিফ আহমেদ ৩২ রান করে হারের ব্যবধান কমান।
তিন উইকেট নিয়ে আবাহনীর জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন ভারতীয় বাঁহাতি স্পিনার মানান শর্মা। মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শুভাগত হোম ও আফিফ হোসেন নেন দুটি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন সাকলাইন সজীব।
আবাহনীর ইনিংসে কেউ সেঞ্চুরি না পেলেও তিন ব্যাটসম্যান পেয়েছেন ফিফটি। লিগের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক লিটন দাস ৮৫, নাজমুল হোসেন শান্ত ৬৫ ও মোহাম্মদ মিঠুন করেন ৬০ রান। সাইফ হাসানের ব্যাট থেকে আসে ৪৬ রান।
প্রাইম ব্যাংকের পেসার আল আমিন হোসেন ও আরিফুল হক নেন দুটি করে উইকেট। নাজমুল ইসলাম অপু ও তাইবুর রহমান নেন একটি করে উইকেট। ৮৩ বলে ৮টি চার ও চার ছয়ে ৮৫ রানের ইনিংস খেলে বড় সংগ্রহের ভীত গড়ে দেওয়া লিটন হয়েছেন ম্যাচসেরা।







