দলীয় ৩৪ রানের মাথায় তিন টপ অর্ডারকে হারিয়ে ধুঁকছিল আফগানিস্তান। সেখান থেকে সফরকারীদের ত্রাতা হন নাজিবুল্লাহ জাদরান ও রহমত শাহ। ফিফটি করে ম্যাচের নাগাল নিজেদের করছিলেন দুজনে। জোড়া আঘাত হেনে পরে ম্যাচের মোড় ঘোরান তাসকিন।
প্রথমে রহমতকে ফিরিয়ে ৮৯ রানের জুটি ভেঙেছেন তাসকিন। একই স্পেলে তিন ওভার পর ফিফটি করা নাজিবুল্লাহ জাদরানকেও ফিরিয়েছেন পেস তারকা।
উইকেটে থিতু হওয়া দুই ব্যাটারকে হারিয়ে ফের চাপে পড়েছে আফগানিস্তান। চাপ খানিকটা বাড়িয়েছেন সাকিবও। রহমানুল্লাহ গুবরাজকে বোল্ড করে দিনের দ্বিতীয় শিকার তুলেছেন টাইগার অলরাউন্ডার।
এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আফগানিস্তানের সংগ্রহ ৩৭ ওভারে ৬ উইকেটে ১৮২ রান। বাকি ৪ উইকেট ও ১৩ ওভারে তাদের প্রয়োজন ১২৪ রান। ক্রিজে ৩২ রানে ব্যাট করা মোহাম্মদ নবী, তাকে সঙ্গ দিচ্ছেন রশিদ খান (১২)।
সাগরিকায় ৩০৭ রানের বড় লক্ষ্যের পেছনে ছুটতে নেমে শুরুতে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে কার্যত ধুঁকতে থাকে রশিদ-শহীদদের দল। শুরুতে টাইগারদের সফলতা এনে দেন আফিফ হোসেন।
সফরকারীদের তিন পরিবর্তন আনা ম্যাচে ইব্রাহিম জাদরানের জায়গায় সুযোগ পান রিয়াজ হাসান। পরিবর্তন আসলেও ব্যর্থ হয়েছেন এই আফগান ওপেনার। আফিফের থ্রোতে রান আউটে কাটা পড়ার আগে করেন মাত্র এক রান।
শুরুর উইকেটের ছয় রানের ব্যবধানে নিজের প্রথম শিকার তোলেন শরিফুল ইসলাম। আফগান অধিনায়ক হাসমতউল্লাহ শহিদিকে ৫ রানেই মুশফিকের ক্যাচ বানান বাঁহাতি পেসার। নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে সাকিব ফেরান আজমাতউল্লাহ ওমরজাইকে (৯)। তাসকিনের জোড়া আঘাতের পর সাকিবও নিলেন তার দ্বিতীয় উইকেট।







