তিনি দুই ইনিংসে দুই সেঞ্চুরি করতে পারেন। প্রায় হেরে যাওয়া টেস্ট ম্যাচ একার দক্ষতায় জেতার জায়গায় আনতে পারেন। তবু তাতে বদলাচ্ছে না স্টিভ স্মিথের ভাগ্য। মানে, আগামী মার্চের শেষে তার নেতৃত্বের নিষেধাজ্ঞা শেষ হলেই তাকে যে নেতার পদে ফেরানো হবে তার কোনো নিশ্চয়তা নেই।
ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান আর্ল এডিংস সরাসরি বলেই দিয়েছেন, ‘স্মিথকে অধিনায়ক করার ব্যাপারটা এখনো আমাদের রাডারে নেই।’
১৬ মাস আগে সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে কেপটাউন টেস্টে বল টেস্পারিংয়ে অভিযুক্ত হওয়ার পর স্মিথের সঙ্গে নিষিদ্ধ হন ডেভিড ওয়ার্নার ও ক্যামেরন বেনক্রফটও। খেলোয়াড় হিসেবে দলে ফিরলেও স্মিথের নেতৃত্বের নিষেধাজ্ঞা এখনো শেষ হয়নি। যা শেষ হবে মার্চ মাসে।
এদিকে, বর্তমান অধিনায়ক টিম পেইন ডিসেম্বরে পা দেবেন ৩৫ বছরে। তাই তাকে অধিনায়ক হিসেবে রাখা নিয়ে এখন থেকেই নানা প্রশ্ন উঠছে। বার্মিংহ্যামে অ্যাশেজের প্রথম টেস্ট জেতার পর মজা করে একবার পেইন ইঙ্গিত দেন অ্যাশেজের পর অবসর ঘোষণা করার। যদিও সঙ্গে সঙ্গে বলেন, ‘না, আমি খেলা চালিয়ে যাওয়ার কথাই ভাবছি।’
পেইন ভারতের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে টেস্ট সিরিজ হারের পরও অধিনায়ক হিসেবে টিকে গেলেন। অ্যাশেজে ভালো শুরুর অর্থ, অধিনায়ক হিসেবে থেকেও যাচ্ছেন। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার চেয়ারম্যান এডিংসের কথায়, ‘আমাদের ভাবনাতেই নেই স্মিথকে অধিনায়কত্বে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারটা। আমাদের বর্তমান অধিনায়ক দারুণ কাজ করে যাচ্ছেন। আমরা খুশি যে স্মিথ, ওয়ার্নার আর বেনক্রফট ফিরে এসেছে। স্মিথকে অধিনায়ক করা এখন বোর্ডের এজেন্ডায় নেই।’
স্মিথ নিজেও এখনই চান না নেতৃত্বে ফিরতে। এজবাস্টন টেস্টের পর স্মিথের মন্তব্য, ‘শুধু ক্রিজে যাচ্ছি, ব্যাটসম্যান হিসেবে আমার কাজ করছি। রান করছি। নেতৃত্ব নিয়ে কিছুই ভাবছি না।’








