হাড্ডাহাড্ডি ফাইনাল। দারুণ শুরুর পর মিডলঅর্ডারে ধস সামলে স্নায়ুকে বশ মানানো এক জয় বাংলাদেশের। ভারতের করা ১৭৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৩ উইকেট ও ২৩ বল হাতে রেখেই জয়। টাইগারদের প্রথম বিশ্বকাপ এসেছে অনূর্ধ্ব-১৯ যুবাদের হাত ধরে।
ফলটা কিন্তু উল্টে যেতে পারতো একটু এদিক-ওদিক হলেই। ১৭৭ না হয়ে ২০০ কিংবা তার বেশি হলে আরও বেকায়দায় পড়তে হতো আকবর আলীদের। সেই পরিস্থিতি যে হয়নি, তার পেছনে কৃতিত্ব বোলারদের না দিয়ে বাংলাদেশের ফিল্ডারদের দিচ্ছেন রোহান গাভাস্কার। কিংবদন্তি ব্যাটসম্যান সুনীল গাভাস্কার পুত্রের মতে, তৌহিদ হৃদয়দের দারুণ কিছু ফিল্ডিং গড়ে দিয়েছে ম্যাচের পার্থক্য।
আইসিসি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ধারাভাষ্য কক্ষে বসে বাংলাদেশ-ভারত ম্যাচটা খুব কাছে থেকে দেখেছেন রোহান। ম্যাচ শেষে নাভনিদ কৃষ্ণার সঙ্গে দুই দলের লড়াই বিশ্লেষণ করতে গিয়ে বাংলাদেশের আগ্রাসী মনোভাবের প্রশংসা করেছেন ভারতের হয়ে ১১ ওয়ানডে খেলা সাবেক এ ক্রিকেটার, ‘এই মুহূর্তটা কেউ কোনোদিন ভুলতে পারবে না। না খেলোয়াড়, না বাংলাদেশের সমর্থকরা।’
‘বাংলাদেশের ছেলেরা খুবই সাহসী ক্রিকেট খেলেছে। ওরা জোশ নয়, হুঁশের সঙ্গে খেলেছে। আগ্রাসী মনোভাবটাকে ওরা সমন্বয় করতে পেরেছে। খেলাটা খুবই হাড্ডাহাড্ডি ছিল। আমার কাছে মনে হয়েছে ফিল্ডিংয়েই ওরা ১৫-২০ রান বাঁচিয়ে দিয়েছে। কাভার পয়েন্টে হৃদয় যেভাবে ফিল্ডিং করেছে, দারুণ ফিল্ডিং। দারুণ দলগত পারফরম্যান্স।’
বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবার বিশ্বকাপ জয় কোনোদিন মলিন হবে না বলেই মনে করছেন রোহান, ‘এটা বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ। ফুটবলে নয়, হকিতে নয়, সবমিলিয়ে এটা ওদের প্রথম বিশ্বকাপ। এ ভীষণ এক ঐতিহাসিক দিন বাংলাদেশের জন্য। এটা কোনোদিনও মলিন হবে না।’








