চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

জোর করে এনওসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে: ইয়াসির আজমান

রাজু আলীম রাজু আলীম
৬:৩৮ অপরাহ্ণ ২৪, নভেম্বর ২০১৯
সাক্ষাতকার
A A

সাম্প্রতিক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে জাহিদ নেওয়াজ খানের পরিকল্পনা ও রাজু আলীম এর প্রযোজনায় ফাবলিহা বুশরা’র সাক্ষাতকারে চ্যানেল আই টু দ্য পয়েন্ট অনুষ্ঠানে কথা বলেন গ্রামীণফোন লি. এর ডেপুটি চীফ এক্সিকিউটিভ অফিসার ইয়াসির আজমান।

প্রশ্ন: বিটিআরসি দাবি করছে যে, অডিট করে তারা দেখেছে-গেলো ২০ বছরে গ্রামীণ ফোন ও রবি’র কাছে প্রায় সাড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকার মত বকেয়া রয়েছে। এতো টাকা কিভাবে বকেয়া হলো?

ইয়াসির আজমান: আপনি বলেছেন ২০ বছরে। আমাদেরকে অডিট করাটা বিটিআরসি এর লাইসেন্সিংয় ক্লজ এর মধ্যে। তাদের এই রাইট আছে। এই অডিট প্রতি বছর হওয়ার কথা।।কিন্তু অডিট আসলে হয়নি। তাই বলতে হয়, কিভাবে ২০ বছর অডিট হয় না? ২০ বছরের পুরনো ডাটাগুলো বের করে নিয়ে এসে অডিট করা খুবই কঠিন ব্যাপার। এই অডিট যখন করা হয়েছে- শুধুমাত্র যে ২০ বছরের পুরনো অডিট তাই না। এখানে স্কোপের বাইরে কিছু ফিগার নিয়ে আসা হয়েছে। কিছু ক্লেম করা হয়েছে। এর উপরে বিটিআরসি এর যে স্কোপটা আছে। তার মধ্যে যে প্রিন্সিপাল আছে সেটার উপরে আবার বড় একটা ইন্টারেস্ট ধরা হয়েছে। আমি যদি গ্রামীণ ফোনেরটা বলি- তাহলে বলবো যে, ১২ হাজার কোটি টাকার মধ্যে ৪ হাজার কোটি টাকা স্কোপের বাইরে আছে। বাকী পোর্শনটা ৭০ পারসেন্ট ইন্টারেস্ট ধরা হয়েছে এবং যেটা ক্লেইম প্রিন্সিপাল অ্যামাউন্ট বলা হয় ওখানেও অনেক ত্রুটি আছে।

প্রশ্ন: এই বিষয়গুলো নিয়ে বিটিআরসি এর সাথে আলাপ হয়েছে?

ইয়াসির আজমান: আমাদের বিটিআরসি এর সাথে আলাপ হয়েছে বলতে- যে অডিট হয় তাতে অপারেটরদের কিছু বলার থাকে না- যে অডিটর নিয়োগ হয়। অডিটর নিয়োগ হয়ে যাওয়ার পরে যখন অডিট হয়েছে আমরা কিন্তু বাধ্য তাদের সাথে কো-অপারেট করতে।আমরা এখানে কো-অপারেট করেছি।তারপরে আমাদের যে অডিটের রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে তার উপরে যে ফিডব্যাক চাওয়া হয়েছিল- আমরা কিন্তু লাইন বাই লাইন প্রতিটি আইটেমের উপরে আমাদের ফিডব্যাক দিয়েছি। কোথায় আমাদের মনে হয়েছে যে ত্রুটিগুলো আছে এবং যেগুলো আমাদের ডিসকাশন করা দরকার। কিন্তু আমাদের যে ডিমান্ড নোট দেওয়া হয়েছে ওখানে বলা হয়েছে যে, আমাদের সুপারিশগুলো গ্রাহ্য করা হয়নি।তারপরে আমরা অনেকবার চেষ্টা করেছি বসার জন্যে আপনি দেখেছেন অনেক সময় নিউজে অনেক সময় ছিল যে- এটা অ্যামিকেবল এনং ট্রান্সপারেন্ট সলিউশনের জন্যে একটা কমিটি করে দিয়ে রিভিউ করা। কমন আন্ডার স্ট্যান্ডিংয়ের মধ্যে এসে সলিউশন করাতে আমরা অলমোস্ট পৌছে গিয়েছিলাম। একবার না বহুবার এটা নিয়ে আমরা ডিসকাস করেছি এবং আমরা এখনো মনে করি সামনে এটা নিয়ে ডিসকাশন হবে এবং  আমরা মনে করি সলিউশন আমরা সবাই মিলে নিয়ে আসতে পারবো।

Reneta

প্রশ্ন: গ্রামীণ ফোনের কাছে পাওনা বলা হচ্ছে ১২ হাজার ৫৮৯ কোটি টাকা। আর আপনারা দিতে চাচ্ছেন ২০০ কোটি টাকা?

ইয়াসির আজমান: আসলে দিতে চাচ্ছি ২০০ কোটি টাকা বিষয়টা এইরকম না। আমি একটু পেছনে থেকে আসবো। আমাদের দেশটা কিন্তু অভূতপূর্ব সম্ভাবনার দেশ। গেলো দশ এগারো বছরে যদি দেখি উন্নয়নের সব সূচকে কিন্তু বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। আর এর পেছনে আপনি, আমি এবং প্রতিটি বিজনেস অর্গানাইজেশন ও ইনডিভিউজ্যুয়ালি আমাদের টেলিকম সেক্টরের কিন্তু বিশাল ভুমিকা আছে। কোন কিছুই কিন্তু কানেকটিভিটি ছাড়া সম্ভব না। তাই এই সেক্টর নিয়ে কাজ করতে হলে একটু বুঝে কাজ করতে হবে যে, আমরা কি করছি এখানে? আমাদের অবদানটা কি এই সামাজিক উন্নয়নে। ২০ বছর ধরে এই অডিটটা হয়নি। তারপরে আমরা দিতে রাজী হওয়ার কথা না। গেলো ২২ বছর ধরে ৭৩ হাজার ৪০০ কোটি টাকা আমাদের সরকারি কোষাগারে দিয়েছি। যেটা আমাদের টোটাল যে আর্নিং তার শতকরা ৫৪ ভাগ। আর এই বছরে আমরা ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকার উপরে সরকারের কোষাগারে দিয়েছি যেটা প্রায় ৫৭ ভাগ। আমরা কিন্তু একটা দায়িত্বশীল কোম্পানী এবং আমাদের  দায়িত্ব আছে যে, আমরা সরকারের ল অনুযায়ী  তা ফলো করে সরকারের কোষাগারে এনবিআর এর ভ্যাট এবং ইনকাম ট্যাক্সগুলো জমা করি। আমরা  এই সব করছি। এখন ২০০ কোটি টাকা যেটি এসেছে তা কিন্তু এটা না। এখনো কিন্তু আমরা প্রতিদিনই দিয়ে যাচ্ছি। ২০০ কোটি টাকার ব্যাপারে আমরা বলেছি। যেটা ডিসকাশন হয়েছে যে, সরকারের মাননীয় ফাইন্যান্স মিনিস্টার, মাননীয় টেলি যোগাযোগ মন্ত্রী, এনবিআর চেয়ারম্যান ও বিটিআরসি এর চেয়ারম্যান সবাইকে নিয়ে যে আলোচনা হয়েছিল। এখানে প্রস্তাবটা এসেছিল ২০০ কোটি টাকার একটা অ্যাডজাস্টেবল ডিপোজিট জমা করার জন্যে। তারপরে যে কমিটি তা রিভিউ করবে- সেই রিভিউয়ের আউটকামের সাথে এই ২০০ কোটি টাকা  অ্যাডজাস্ট হবে। এটা না যে ওই ক্লেমের এগিনেস্টে আমরা এই ২০০ কোটি টাকা দিতে চাচ্ছি। এটা একটা ডিপোজিট  হিসেবে এর কথা এসেছে। এইখানে আমাদের একটা এগ্রিমেন্ট ছিল।

প্রশ্ন: আপনারা বলছেন- একটা সার্টেন অ্যামাউন্ট আপনাদের ডিপোজিট করতে রাজি করানো হয়েছে। এই যে চাপে আপনারা রাজি হয়েছেন। কিন্তু এনওসি বন্ধ রাখা এই সংকট আপনার কিভাবে ডিল করছেন?

ইয়াসির আজমান: দেখেন- এটি খুবই দুঃখজনক একটা ব্যাপার যে, জোর করে এনওসি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ২২ জুলাই একটা ডাইরেক্টিভ দিয়ে এটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা ডিল করছে কিভাবে? আসলে ডিল করা তো যাচ্ছে না? আমাদের  যে ইনভেস্ট হয়েছে দুইটা কোম্পানীর। প্রতি বছরই আমাদের ইনভেস্টমেন্ট থাকে। আমরা গ্রামীণ ফোনের এখন ৪ পয়েন্ট ৮ বিলিয়ন টাকা ইক্যুইপমেন্ট ইনভেস্টমেন্ট এর মধ্যে আটকে গিয়েছে।আর এর সাথে রিলেটেড সরকারের যে ডিউটিজগুলো পাওয়ার কথা সেগুলোও বড় অ্যামাউন্ট। সেগুলোও সরকারের কোষাগারে যাবে না। তারপরে এইগুলো যখন ইনভেস্ট হয় তখন ইকো সিস্টেমে আরও আমাদের পার্টনারদের যে  পেমেন্টগুলো হয় সবাই কিন্তু এর ফলে এফেক্টেড হবে। এক হলো আমাদের ইনভেস্টমেন্টে প্রভাব পড়ছে। আরেকটি হলো আমাদের কাস্টমার- যেহেতু নতুন সার্ভিস লঞ্চ করা যাচ্ছে না। নতুন প্রডাক্ট নিয়ে আসা যাচ্ছে না। কিন্তু যেই রকম ইনোভেশন আমাদের নিয়ে আসার কথা মার্কেটে এটা হচ্ছে না। আপনি চিন্তা করেন টেলকো ইন্ডাস্ট্রি একটি ইনটেন্স ইন্ডাস্ট্রি। এখানে প্রতিদিনই নতুন নতুন কিছু হয়। সেখানে আজকে ২২ জুলাই থেকে শুরু করে বছর এখন প্রায় শেষ হয়ে যাচ্ছে। এতোদিন যে জিনিসটা হয়নি এর ইমপ্যাক্ট আজকে যেমন বুঝতে পারছি আগামী বছর এর ইমপ্যাক্ট আরও বেশি পড়বে।কারণ ৫৪ পারসেন্ট আমাদের। আর রবি’র ও প্রায় একই রকম। আমাদের রেভিনিউ সরকারের কোষাগারে যায়। এই রেভিনিউ যদি ফল করে যায় আর কাস্টমাররা যদি আমাদের রাইট ইউটিলাইজেশন না করতে পারে তাহলে লুজ শুধু আমাদের না? সরকারও কাস্টমার সবার জন্যেই একটা ক্ষতির কারণ।একটা লুজ লুজ সিচুয়েশন বলতে পারি সবার জন্যে।

প্রশ্ন: বিটিআরসি’র করা আপিলের উপরে  আদালতে আপনাদের যুক্তিগুলো কি?

ইয়াসির আজমান: আদালতের উপরে শ্রদ্ধাশীল হয়ে বলতে হবে- এই ব্যাপারে এখানে আমরা ডিপলি ডিসকাস করতে পারি না। কিন্তু অডিটটা নিয়ে বলতেই পারি যে, আমাদের কথা হলো ২০ বছরের পুরনো অডিট। যেখানে অডিটের বাইরের স্কোপ এখানে নিয়ে আসা হয়েছে।তারপরে যে প্রিন্সিপাল অ্যামাউন্ট বলা হয়েছে ওখানে অনেক রকম ভুল ত্রুটি আছে। ঠিকমতো সবকিছু ফলো করা হয়নি। লাইসেন্সের ক্লজ অনুযায়ী প্রতিবছর যে অডিট হওয়ার কথা ছিল, সেই অডিট হয়নি। আমাদের যুক্তিগুলো এটাই- এখানে আমরা লাইন বাই লাইন আইটেম দিয়ে রিপ্লাই দিয়েছিলাম। আমাদের কনসার্নগুলো গ্রহণ করে বিটিআরসি আমাদের সাথে ডায়লগ করতে পারতো। কারণ বিটিআরসি নিজে অডিট করেনি। এটা আরেকটা থার্ড পার্টি অডিটটা করেছে। এটাকে ওন করে নিয়ে এটাই একবারে রাইট এটা না বলে ডায়লগের মাধ্যমে আমরা সলভ করতে পারতাম। যেহেতু এটা হয়নি। তারপরে যে জিনিসটা এসেছিল- একটা কমিটি করে দিয়ে। সরকারের পক্ষ থেকে, বিটিআরসি’র পক্ষ থেকে রিপ্রেজেনটিটিভ থাকবে আমরা আমাদের এক্সপার্ট দিবো। লাইন বাই লাইন ধরে ধরে রিভিউ করে জয়েন্টলি রিকমেন্ডেশনগুলো আসবে তা অপারেটরা ফলো করবে।আমাদের আর্গুমেন্ট ওইটাই যেহেতু এটি ত্রুটিপূর্ণ অডিট। এ স্কোপ আছে বসে কাজ করার। কারণ গেলো ২২ বছর আমরা এই ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছি। আমরা কিন্তু এই পর্যন্ত  এসেছি সহযোগিতার কারণে। একটা পরিবারের মত কাজ করি।একটা ফাইটের মত অবস্থায় যাওয়ার দরকার ছিল না। অলরেডি আমরা আদালত থেকে স্টে অর্ডারের উপরে ইনজাংশন পেয়েছি। বিটিআরসির স্টে অর্ডারের উপরে স্টে অর্ডার পেয়েছি। এটার সুযোগে আমাদের ইনভেস্টমেন্টের এনওসি বিটিআরসি দিয়ে দিতে পারতো। তাহলে আমাদের গ্রাহকদের ভোগান্তি হতো না এবং কিন্তু ওই রকম একটা স্টে অর্ডার পাওয়ার পরেও আমরা কোন রকম স্টে অর্ডার পাচ্ছি না। এই ব্যাপারগুলো আমাদের জন্য খুবই দু:খজনক। আমরা আসলে কোথায় নিয়ে যেতে চাচ্ছি ইন্ডাস্ট্রিটা।

প্রশ্ন: বিটিআরসি বলছে- এই টাকা জনগণের টাকা। কমিশনের মাধ্যমে শুধুমাত্র আদায় করা হচ্ছে এবং কমিশন আইনে শালিসের কোন সুযোগ নাই। এই জন্যে এই ব্যাপারে তারা কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না?

ইয়াসির আজমান: বাংলাদেশে আমাদের সেভেন্টি ফাইভ মিলিয়ন কাস্টমার। সাড়ে সাত কোটি কাস্টমার। এখানে বলতে হয়- জনগণের টাকা গ্রামীণফোণ বা আরেকটি দায়িত্বশীল অপারেটর দিবে না। এই কথা বলা এবং নিউজ পেপারে দেওয়া খুবই দু:খজনক এবং আমাদেরকে এটা অ্যাভয়েড করা উচিৎ। কিন্তু আপনি যদি একটু পেছনে দেখেন তাঁকিয়ে- আমি যেটা বললাম, ৭৩ হাজার ৪ শত কোটি টাকা যেটা আমাদের রেভিনিউ এর ৫৪ ভাগ সরকারের কোষাগারে দেওয়া হয়েছে। এনবিআর এ ভ্যাট এবং ইনকাম ট্যাক্স যা দেওয়ার কথা তার সবকিছু যদি আমরা ২২ বছরে যোগ করি এই ৫৪ ভাগের বেশি হওয়ার স্কোপ আমরা দেখছি না। তো, এতো বড় অ্যামাউন্ট দেওয়ার পরেও আমরা যদি বলি- জনগণের টাকা দিচ্ছি না। এই ১৪ তারিখে সর্বোচ্চ ইনকাম ট্যাক্স পুরস্কার আমাদেরকে দেওয়া হয়েছে। গেলো ৫ বছর ধরে আমরা নাম্বার ওয়ান ট্যাক্স পেয়ার। সময় মত কারেক্টলি আমাদের ইনকাম ট্যাক্স দিয়ে যাই। এই বছরও ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে যা আমাদের মোট রেভিনিউয়ের ৫৭ ভাগ। তারপরেও জনগণের টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এটা ভুল বোঝাবুঝি তৈরী করছে। এই অবস্থা অ্যাভয়েড করা উচিৎ।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

ট্যাগ: ইয়াসির আজমানগ্রামীণফোন
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

ছবি: সংগৃহীত

৩২ যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসর

জুলাই ২৭, ২০২৬

ফাইনালের পর আর্জেন্টিনার পিঠ ঘুরিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার ব্যাখ্যা দিলেন মার্টিনেজ

জুলাই ২৭, ২০২৬
ছবি: সংগৃহীত

মামলা প্রত্যাহার না হলে আবার বিক্ষোভের হুমকি ককরোচ জনতা পার্টির

জুলাই ২৭, ২০২৬

কাভা কাপের সেমিতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ উজবেকিস্তান

জুলাই ২৭, ২০২৬

সঠিক বিচার চাই, এর শেষ দেখে ছাড়বো: স্নিগ্ধা

জুলাই ২৭, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey June 2026 Bkash Stickey June 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • ফিফা ২০২৬
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT