সংশোধিত জেলা পরিষদ আইনে সরাসরি ভোটের দাবি করেছে সুশাসনের জন্য
নাগরিক-সুজন। সংশোধনের জন্য প্রস্তাবিত জেলা পরিষদ আইন সংবিধানের সঙ্গে
সাংঘর্ষিক বলে দাবি সংগঠনটির। এই আইনকে বিকলাঙ্গ আইন বলেও মন্তব্য সুজনের।
গঠনের পর থেকে এতদিন সরাসরি ভোটে নয় বরং সিলেকশনের মাধ্যমে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানরা নির্বাচিত হতেন। এবার ভোটের বিধান রেখেই সংশোধন করা হচ্ছে জেলা পরিষদ আইন।
আইনটি পাস হবার আগে সংশোধিত আইনের বিভিন্ন ধারা নিয়ে প্রবল আপত্তি তুলে সকালে সংবাদ সম্মেলন করে সুজন। তাদের দাবি সরাসরি ভোটের অধিকার না থাকলে জেলা পরিষদ জনগণের কোনো উপকারে আসবে না।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, সংশোধিত আইন আসলে জেলা পরিষদের জন্য হবে না। এটা বিকলাঙ্গ জেলা পরিষদ হবে। প্রথম পদক্ষেপ হলো ইলেক্টোরাল পলিসি সিস্টেম বাতিল করে ওয়ার্ড ভাগ করে জনগণকে সরাসরি ভোটের অধিকার দেওয়া। দ্বিতীয়টি হলো, ইউনিয়ন ও উপজেলাপরিষদকে যেভাবে জেনারেল প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক করে দেয়া হয়েছে, সেভাবেই সংবিধান ৪৯ এর ২ অনুসরণ করে এখানে সংশোধনী এনে সরকারি প্রশাসন যন্ত্র ও উন্নয়নের উপরে তাদের কর্তৃত্ব স্থাপন করা।
সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, প্রত্যেক সরকার তাদের দলীয় স্বার্থে দেশের স্থানীয় সরকারকে ব্যবহার করছে। তাই জনগণের কোনো উপকার হয় না। আমরা চাইছি সত্যি সত্যি জনগণ যেন ভোটাধিকার পেয়ে ক্ষমতার অধিকারী হয়।
সরকারের প্রস্তাবিত সংশোধিত জেলা পরিষদ আইনে ৩টি ধারা পরিবর্তনে জোর দিয়েছে সুজন। তাদের সুপারিশ জেলা পরিষদ আইনে একাধিক সংসদ সদস্যদের উপদেষ্টা রাখার বিধান বাতিল করার।
এছাড়াও প্রস্তাবিত জেলা পরিষদ আইনে প্রার্থীদের হলফনামা দেবার বিধান রাখাসহ নারীর ক্ষমতায়নের জন্য সংরক্ষিত আসন না রেখে নারীদের আসনগুলো উন্মুক্ত করে দেবারও সুপারিশ সুজনের।








